ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটিতে ‘বঙ্গবন্ধু শিশু রোবটিক্স উৎসব’ অনুষ্ঠিত

স বিজ্ঞপ্তি
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে দিনব্যাপী ‘বঙ্গবন্ধু শিশু রোবটিক্স উৎসব-২০১৯’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের যৌথ আয়োজনে গত ১৭ মার্চ ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ‘৭১ মিলনায়তনে উৎসবের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান লুনা শামসুদ্দোহা এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির পরিচালক শহিদুল মনির। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে রোবট প্রদর্শনী, রোবট প্রতিযোগিতা, স্ক্যাচ প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা, রোবট নিয়ন্ত্রণ প্রতিযোগিতা, ইন্ডাস্ট্রি ৪.০ প্রতিযোগিতা ও নিনো রোবটকে অনুকরণ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এসব প্রতিযোগিতায় রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্কুলের প্রায় এক শ’ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি বিভাগ থেকে তিনজনকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উদযাপন তখনই স্বার্থক হবে যখন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও আদর্শ শিশুদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারব। বঙ্গবন্ধু ছোটবেলা থেকেই প্রতিবাদী, সৎ ও ন্যায়পরায়ন ছিলেন। আমাদের শিশু-কিশোররা যদি তাঁর মতো সৎ ও প্রতিবাদী হতে পারে তবেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়িত হবে এবং তাঁর জন্মদিন উদযাপন করা স্বার্থক হবে। এসময় তিনি আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান এরকম একটি প্রতিযোগিতা আয়োজন করার জন্য।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এই শিশু-কিশোরদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা দেখে খুবই বিস্মিত হই এবং অনুপ্রাণিত হই। এরা যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেবে তখন বাংলাদেশের উন্নতি কেউ ঠেকাতে পারবে না। আর মাত্র কয়েক বছর পরই এই মেধাবী প্রজন্ম বাংলাদেশের হাল ধরবে। এদের মাধ্যমেই বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে একটি মেধাবী জাতি হিসেবে মাথা উঁচু কওে দাঁড়াবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যাক্ত করেন।