তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মতলবের এক শিশুকে বেঁধে নির্যাতন

মতলব দক্ষিণ ব্যুরো
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মেহরান গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিমান্ত দাস (১১) নামক শিশুকে হাত পা বেধে ও বালতী মাথা দিয়ে অমানবিক নির্যাতন করে একই বাড়ীর প্রতিবেশি। চিকিৎসার অভাবে ভয় ও আতঙ্কে শিশুটি নিজ বাড়ীর বিছানায় কাতরাচ্ছেন। শিশুটি নারায়নপুর পপুলার উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র। গরীব অসহায় হওয়ায় নির্যাতনের শিকার শিশু সিমান্ত স্থানীয়ভাবে বিচারও পাচ্ছে না।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত বুধবার (৩০ মার্চ) বিকেলে সিমান্ত তার নিজের সাইকেল চালিয়ে বাড়ী থেকে রাস্তায় যাওয়ার পথে একই বাড়ীর সুভল দাসের স্ত্রী উঠানে তাদের মুরগীর খাবার দিচ্ছিলো। সাইকেল দেখে মুরগীগুলো সরে যাওয়ায় দিশা খার স্বামী সুভল দাস সাইকেল থেকে সিমান্ত দাসকে নামিয়ে বেধরক মারধর করে। তার ডাকচিৎকারে সুভল দাস ও তার ভাগীনা অজিত দাস, বোন আদুরী দাস, ভাগীনা পলক দাস, ভাতীজা পিন্টু দাস ও স্ত্রী দিশাখা দাস মিলে শিশুটিকে হাত পা বেধে এবং বালতির মধ্যে গোবর ও পানি মিশিয়ে মাথায় ঢেলে অমানবিক নির্যাতন করে। সংবাদ পেয়ে সিমান্তের বাবা বাশি দাস ও তার মাসহ বাড়ীর লোকজন তাড়িয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
সিমান্তের বাবা জানান, তার ছেলেটিকে হাত পা বেধে ও মাথায় বালতি ডুকিয়ে খুব মারধর করেছে। বর্তমানে সিমান্ত ভয় আতঙ্কে খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছে। স্কুল ও যেতে ভয় পায়। ঘর থেকে বের হতেও চায় না।
বাড়ীর মাতাব্বর নারায়ন দাস, মহাদেব দাস, গৌরাঙ্গ দাস, অঘর দাস, সুনীল দাস, সারতী দাসসহ অনেকেই এ ঘটনাটির সুস্থ্য বিচার করার চেষ্টা করেও পারেনি। পুলিশ প্রশাসনের নিকট সিমান্তের পরিবার এ নির্মম নির্যাতনের সুস্থ্য বিচারের দাবী জানান।