পার্কিংয়ে অতিরিক্ত টোল আদায় : হরিণা ফেরি ঘাটে হরিলুট


স্টাফ রিপোর্টার
ফেরি অতিরিক্ত টোল আদায়সহ বিভিন্ন বিশৃঙ্খলা থেকে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনে প্রায় ৪ বছরে আগে হরিণা ফেরি ঘাটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের ফেরিঘাটের ইজারা প্রথা বাতিল করে সরকার। দীর্ঘ ৪ বছর পর জুয়েল খান ও হানারচর ইউনিয়নের হালিম মেম্বারসহ প্রভাবশালী কিছু লোকজন হরিণা ফেরি ঘাটটি ১ সপ্তাহ আগে এক মাসের ইজারা এনেছে বলে গাড়ি থেকে পার্কিংয়ের নামে টাকা উত্তোলন শুরু করে। ইজারা আনার প্রথম দিন থেকে শুরু হয় হরিণা ফেরিঘাটে হরিলুট।
ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, জুয়েল খান ও হানারচর ইউনিয়নের হালিম মেম্বারসহ প্রভাবশালী কিছু লোকজন হরিণা ফেরিঘাটটি এক মাসের ইজারা এনেছে। ইজারা আনার প্রথম দিনই গাড়ি পার্কিংয়ের নামে অতিরিক্ত টাকা উত্তোলন করায় চালকদের সাথে হট্টগোল শুরু হয়। তাৎক্ষণিক জুয়েল খান ও হালিম মেম্বারসহ অন্যান্যরা হরিণা ফেরি ঘাটে মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করে ইজারা এনেছে বলে প্রচার করে। গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টা থেকে হরিণা ফেরি ঘাটে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। এই সুযোগে ইজারাদার জুয়েল খানের লোকজন গাড়ি সিরিয়ালের জন্য বাড়তি টাকা আদায় করতে থাকে। এক পর্যায়ে চালকরা এর প্রতিবাদ করলে বিষয়টি জানাজানি হয়ে যায়। পরে সকাল থেকে টোল আদায় কিছুটা কমিয়ে আদায় করা হয়। কিন্তু সরকারি নিয়ম অনুযায়ি যেখানে টোল আদায়ের নির্ধারণ করা হয় ১১০ টাকা, সেখানে ইজারাদাররা টোল নিচ্ছে ৩০০ টাকা করে। এমনকি চালকদের প্রতিবাদের পরও ২শ’ টাকা করে টোল আদায় করা হচ্ছে।
জানা যায়, ইজারাদার জুয়েল খানের প্রতিনিধি আজাদসহ স্থানীয় লোকজন মিলে প্রায় প্রতিদিনই গাড়ি থেকে বাড়তি টোল আদায় করছে। ফলে চালকরাও অনেকটা বাধ্য হয়ে সিরিয়ালের জন্য বাড়তি টাকা দিচ্ছে।
এ ব্যাপারে কয়েকজন চালক জানান, গত মঙ্গলবার রাতে ৩০০ টাকা করে টোল নেয়। সকালে চালকরা প্রতিবাদ করায় তা’ কমিয়ে ২০০ টাকা করে নেয়া হচ্ছে।
টোল আদায়কারী আজাদ জানান, এটি চালকদের সাথে কথা বলেই নেয়া হচ্ছে।
ইজারাদার জুয়েল খান জানান, আমি বিষয়টি জানার পর বাড়টি টাকা নেয়া বন্ধ করে দিয়েছি।
চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক জানান, আমি বিষয়টি জেনেছি। এমনকি সাথে সাথে ইজারাদারকে ফোন করে বাড়তি টাকা না নিতে নির্দেশ দিয়েছি।