হাজীগঞ্জে আবারো ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

বেশি দামে লবণ বিক্রি করায়

মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্
লবণের দাম বৃদ্ধির গুজব নিয়ন্ত্রণে এবং জনসচেতনতার লক্ষ্যে হাজীগঞ্জে আবারো অভিযান চালানো হয়েছে। গতকাল বুুুুধবার দুুুপুরে এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়ুয়া। অভিযানে ক্রেতাদের অভিযোগের ভিত্তিতে ২ জন ব্যবসায়ীকে নগদ ৫ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
জানা গেছে, গুজব নিয়ন্ত্রণ এবং জনসচেতনার লক্ষ্যে আলীগঞ্জ বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়ুয়া। এ সময় উপস্থিত ক্রেতাদের অভিযোগের ভিত্তিতে এবং অতিরিক্ত দামে লবণ বিক্রির অভিযোগে ভোক্তা অধিকার আইনে শ্রীকৃষ্ণ স্টোরকে নগদ ৫ হাজার টাকা ও মিথিলা স্টোরকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
এ সময় পৌরসভার বাজার মনিটরিং টিম এবং জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকার প্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে বিভিন্ন খুচরা ও পাইকারী দোকানে গিয়ে বেশি দামে লবণ বিক্রি এবং একজন ক্রেতার কাছে অতিরিক্ত লবণ বিক্রি না করার জন্য ব্যবসায়ীদের নির্দেশনা প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়ুয়া।
এর আগে একই অভিযোগের ভিত্তিত এবং দোকানে মূল্য তালিকা না থাকায়, মঙ্গলবার বিকালে ভোক্তা অধিকার আইনে হাজীগঞ্জ বাজারের দু’জন ব্যবসায়ীকে ৯ হাজার টাকা জরিমানা করেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বৈশাখী বড়ুয়া। এর মধ্যে খোরশেদ আলম নামের একজন ব্যবসায়ীকে নগদ ৭ হাজার টাকা, অনাদায়ে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও মদন সাহা নামের অপর এক ব্যবসায়ীকে নগদ ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়ুয়া বলেন, লবণের সংকট নেই এবং দামও বৃদ্ধি করা হয়নি। তাই গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান জানান এবং সবাইকে সচেতন থাকার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, লবণের দাম বেড়েছে, এমন গুজবে সোমবার সন্ধ্যা থেকে বিভিন্ন দোকানে লবণ কিনতে ক্রেতারা ভিড় করেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই গুজবে সর্বনিম্ন ৩ থেকে ৫ কেজি এবং সর্বোচ্চ ২০ কেজি করে লবণ ক্রয় করছেন সাধারণ ক্রেতারা। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা লবণ কেজিতে ৫ টাকা থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছেন। এরই প্রেক্ষিতে গুজব ও লবণের দাম নিয়ন্ত্রণে এবং জনসচেতনতার লক্ষ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ইউএনও।