হাজীগঞ্জে মায়ের সাথে অভিমান করে ছাত্রীর আত্মহত্যা


হাজীগঞ্জ ব্যুরো
হাজীগঞ্জে মায়ের সাথে অভিমান করে নিজ গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার করেছে শিপা আক্তার (১৬) নামের এক মাদরাসা ছাত্রী। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনিস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।
এর আগে শনিবার দিবাগত রাতে হাজীগঞ্জ বাজারস্থ পৌর ট্রাক রোডে ভাড়া বাসায় মায়ের সাথে অভিমান করে নিজ গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে শিপা। এতে করে তার শরীরের প্রায় ৯০ ভাগ পুড়ে যায়। পরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
নিহত শিপা উপজেলার বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের কাইজাঙ্গা গ্রামের প্রবাসী দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে। সে দারুল উলুম আহমাদিয়া কামিল মাদ্রাসার ১০ম শ্রেণির ছাত্রী।
হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন রনি জানান, খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে মেয়েটির সাথে আমি কথা বলেছি। সে (ছাত্রী) জানায়, মাদরাসা থেকে দেরিতে বাসায় ফিরে আসায় তার মা বকা দিয়েছে। তাই সে নিজেই গায়ে আগুন দেয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. বেলায়েত জানান জানান, আগুনে মেয়েটির শরীরেরর প্রায় ৯০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে মেয়েটিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ফেপার করা হয়ে।
এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে শিপার মা শিল্পী বেগমের মোবাইল ফোনে কয়েকবার যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে তার নিকটাত্মীয় সূত্রে জানা গেছে, শিল্পী তার মেয়েকে নিয়ে হাসাপাতালে থাকার কারণে মোবাইলের চার্জ ফুরিয়ে গেছে। তাই মোবাইল ফোনটি বন্ধ ছিল। রোববার সন্ধ্যায় শিপা মারা যায় বলে তারা জানান।