হাসাদী সপ্রাবি’র প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

ব্যবস্থা গ্রহনের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস বরাবর লিখিত অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
চাঁদপুর সদর উপজেলা বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ৬নং হাসাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাউছার আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। ব্যবস্থা গ্রহনের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসেন প্রধানিয়া।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানা যায়, হাসাদী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক যোগদানের পর থেকে দুর্নীতি ও অনিয়ম করে যাচ্ছে। নিজের ইচ্ছেমত বিদ্যালয়ে যাতায়াত, শিক্ষার্থীদের দিয়ে ঝাড়– দেয়া ও এমনকি টয়লেট পরিস্কার করানো হয়। ম্যানেজিং কমিটির সাথে মতবিনিময় না করা, শিক্ষক নিজকে বিসিএস ক্যাডার ও মন্ত্রীর লোক দাবী করে প্রভাব খাটানো, কমিটির সভাপতি ও সদস্যদের সাথে অশোভন আচরন করে। তার এ ধরনের কর্মকন্ডে অভিভাবক মহল সুধী সমাজের লোকদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
অভিযোগে আরো জানা যায়, জাতীয় পতাকা অবমাননা করে মাঝে মাঝে রাতেও পতাকা উত্তোলিত দেখা যায়। শিক্ষার্থীদের পোশাকের নামে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়া, ভর্তি বানিজ্য, স্কুলে দান-অনুদানের টাকা আত্মসাৎসহ আরো অভিযোগ উঠে এসেছে।
অভিযোগকারী বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসেন প্রধানিয়া ইল্শেপাড়কে জানান, প্রধান শিক্ষক কাউছার আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছি। শিক্ষক একজন স্বেচ্ছাচারী দুর্নীতি পরায়ন ক্ষমতা অপব্যবহারকারী। তিনি নাকি একজন ম্যাজিট্রেট ও মন্ত্রীর লোক হিসেবে দাবী করেন। প্রধান শিক্ষক স্কুলে ঠিকমত না আসা বিদ্যালয়ের বিভিন্ন দান-অনুদানের টাকা আত্মসাৎ করা। কমিটির সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ। বিদ্যালয়ের দপ্তরী কাম প্রহরী আরিফ হোসেন প্রধান শিক্ষকের কথামত কাজ চলছে। এমনকি আমি ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সে আমাকেও মূল্যায়ন করে না।
তিনি আরো বলেন, বিদ্যালয়ের এ অনিয়ম ও দুর্নীতি চলতে থাকলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জীবন অঙ্কুরেই বিনাশ হয়ে যাবে। তাই এই শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে স্কুলের সুনাম ঐতিহ্য পিরিয়ে আনতে প্রধান শিক্ষক তাহার অনৈতিক ও বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধকল্পে আমি গত ১৪ মার্চ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছি। তিনি প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে এটাই প্রত্যাশা। নতুবা শিক্ষার্থীদের অপূরণীয় ক্ষতি হবে।