সাবেক প্রধানমন্ত্রী মিজান চৌধুরী বাড়ির সাইয়ান চৌধুরীকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৭টায় এ ঘটনা ঘটে। আহত সাইয়ান চৌধুরীকে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। ঘটনার প্রেক্ষিতে তিনি পুরাণবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে শাইয়ান চৌধুরী উল্লেখ করেন, ঘটনার দিন আনুমানিক সকাল সাতটায় রাজু চৌধুরী কেয়ারটেকার মনু মিয়াকে দিয়ে বাড়ির সামনে মসজিদের কাছে ডেকে নেয়। সেখানে আমার কাছে বাড়ির সামনে ইট রাখার বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হয়। আমি উত্তর দেওয়ার আগেই খোরশেদ আলম বাদল চৌধুরীর নেতৃত্বে সোহরাব হোসেন মামুন অতর্কিতভাবে আমাকে ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে। মুনীর চৌধুরী এবং সেলিম আমাকে কিল-ঘুষি-লাথি মারে ও আমার গলা চেপে ধরে মাটিতে ফেলে মারতে থাকে। বাবলু চৌধুরী ও অজ্ঞাত চার-পাঁচজনসহ তাদের সাথে যোগ হয়ে আমাকে গুরুতর জখম ও রক্তাক্ত করে। আমাকে জীবনে মেরে ফেলবে মুখে হুমকি দেয়। আমার চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। আমার পকেটে থাকা মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও গলায় পরিহিত স্বর্ণের চেইন আমাকে মারধর করার সময় ছিনিয়ে নেয়। পরবর্তীতে তারা আমার দোকান ও ঘরবাড়িতে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। তারা দোকানের সার্টার ভাঙচুর করে।
অভিযোগ বিষয়ে পুরাণবাজার পুলিশ ফাঁড়ির এসআই লিলিচুর জানান, আমরা অভিযোগ পেয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। আমরা জেনেছি ইট রাখাকে কেন্দ্র করে ছোটখাটো একটা মারামারির ঘটনা ঘটেছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি, পরে বিস্তারিত জানাতে পারব।
অভিযোগকারী শাইয়ান চৌধুরী জানান, আমাকে আমানুল্লাহ রাজু চৌধুরী ডেকে নিয়ে আসে মনু মিয়ার মাধ্যমে। পরবর্তীতে ইব্রাহিম খলিল, বাবলু চৌধুরীর নেতৃত্বে খোরশেদ আলম বাদল চৌধুরী, সৌরভ হোসেন মামুন চৌধুরী, মুনীর চৌধুরী, সেলিম চৌধুরীসহ আরো অজ্ঞাত ৫-৬ জন আমার উপর হামলা করে। এখন আমি আতঙ্কের মধ্যে আছি। আমি এ হামলার সুষ্ঠু বিচার চাই।
২২ অক্টোবর, ২০২০।
- Home
- চাঁদপুর
- চাঁদপুর সদর
- চাঁদপুরে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে মারধর
