চাঁদপুরে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদির মৃত্যু

মানিক দাস
চাঁদপুর জেলা কারাগার থেকে বুকের ব্যাথায় অসুস্থ অবস্থায় প্রথম স্ত্রী হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ডপ্রাপ্ত কয়েদি মঈনুদ্দিনকে সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে কারারক্ষীরা। বুধবার (২৮ মে) দুপুরে সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মইনুদ্দিন মারা যায়।
খবর পেয়ে চাঁদপুর মডেল থানার এসআই গাজী কালাম হাসপাতালে গিয়ে মইনুদ্দিনের মরদেহের সুরতাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। পরে মঈনুদ্দিনের বাবা, শাশুড়ি ও দ্বিতীয় স্ত্রীসহ স্বজনরা হাসপাতালে এসে আহাজারি করতে দেখা যায়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা কারাগারের ডেপুটি জেলার হাসপাতালে এসে নিহত মইনুদ্দিনকে দেখে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ করেন।
চাঁদপুর কারাগার সূত্রে জানা যায়, কচুয়া উপজেলার আশরাফপুর গ্রামের আবু জাফরের ছেলে মইনুদ্দিন মইন তার প্রথম স্ত্রী শাহনাজ বেগমকে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ২০১১ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ১৬৩/১১ ধারায় কচুয়া থানায় মামলা হয়। মামলা নং জি.আর-০৪/২০১১। সেই মামলায় অবশেষে দীর্ঘ বছর পর বিজ্ঞ বিচারক, নারী ও শিশু নির্যতন দমন ট্রাইব্যুনাল, চাঁদপুর কর্তৃক মইনুদ্দীনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে।
চাঁদপুর জেলা কারাগারে ২৮৫৭নং কয়েদী হিসেবে ছিল মইনুদ্দিন। অসুস্থ হলে তাকে চাঁদপুর সরকারি জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পুরুষ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল বুধবার সে মারা যায়।
হাসপাতালের দায়িত্বরত ডাক্তার জানান, বুকের ব্যথা নিয়ে মইনুদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে মইনুদ্দিনের দেহ ময়নাতদন্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। পরে তার স্বজনরা তাকে অ্যাম্বুলেন্স যোগে কচুয়ায় নিয়ে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

২৯ মে, ২০২৫।