স্টাফ রিপোর্টার
চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের টাহরখীলে বসতবাড়িতে গরুর খামার করে পরিবেশ দূষণের
অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে চাঁদপুর সদর উপজেল স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বরাবরা টাহরখীলের মৃত ফজলুর রহমান খানের ছেলে মাও. মো. তাজুল ইসলাম খান লিখিতভাবে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পর রোববার (১৪ মার্চ) দুপুরে উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর নীনা আক্তার সরজমিনে গিয়ে পরির্দশন করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, টাহরখীল খান বাড়ির মৃত নোয়াব আলী খানের ছেলে মো. আবুল কালাম আজাদ খান (কালু) বসতবাড়িতে ঘরের সাথে গরুর খামার করে। খামারের ময়লা অভিযোগকারী তাজুল ইসলাম খানের ঘরের পাশেই পড়ছে। যার ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধের কারণে তাজুল ইসলামের ঘরে বসবাস করতে মারাত্মক কষ্ট হচ্ছে। এমনকি প্রতি বছর সিয়াম সাধনার সময় গরুর খামারের ময়লার দুর্গন্ধের কারণে তাদের রোজা রাখতে সীমাহীন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে কালুকে অনেকবার বলার পরও কালু খান বিষয়টি গুরুত্ব না দিয়ে নিজের ইচ্ছেমত গরুর খামার সম্প্রসারণ করে যাচ্ছে। এ নিয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের কাছে গিয়ে ও কোন প্রকার সমাধানের আলোর মুখ না দেখে তাজুল ইসলাম খান উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ প্রেক্ষিতে উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর নীনা আক্তার, সহকারী হুমায়ুন কবির ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছেন।
এ সময় তারা অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা পেয়ে আগামি এক সপ্তাহের মধ্য কালু খানকে গরুর খামার অন্যস্থানে সরিয়ে নেওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করেন।
উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর নীনা আক্তার বলেন, বসতবাড়িতে গরুর খামার করা সম্পূর্ণ আইন বিরোধী। যে কেউই কোনভাবে বসতবাড়িতে গরুর খামার করতে পারবে না। এতে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হয়। মানুষের জীবন যাত্রার মান নষ্ট হয়। বাড়ির পরিবেশের কারণে কালুর গরুর খামার প্রয়োজনে বন্ধ করে দিতে হবে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবুল কালাম আজাদ খান (কালু) বক্তব্য নেওয়ার জন্য কথা বললে তিনি উত্তেজিত হয়ে যান। ভুক্তভোগী তাজুল ইসলাম খান পরিবেশ দূষণ থেকে রক্ষা পেতে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
১৫ মার্চ, ২০২১।
