শাহ্ আলম খান
চাঁদপুর জেলা শহরে বিভিন্ন ধরনের শীতের সবজির সরবরাহ দিন দিন বাড়ছে। এর ফলে সব ধরনের সবজির দাম কমেছে। পাশাপাশি সরবরাহ বাড়ায় সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে আলুর দামও। গত শনিবার (১২ ডিসেম্বর) শহরের পালবাজার, নতুন বাজার, বিপণীবাগ এবং ওয়ারলেস বাজার ঘুরে এ চিত্র চোখে পড়েছে। চাঁদপুরের বিভিন্ন বাজারে সবজির কেজি এখন ৩০ টাকার মধ্যে রয়েছে। তবে সবজির দামে স্বস্তি দিলেও বেড়েছে ডিমের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনে ডিমের দাম ৫ টাকা বেড়েছে।
এদিকে পালবাজার ঘুরে দেখা গেছে- পুরাতন আলু প্রতি কেজি ৩৫ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। আর নতুন আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৫০ টাকা। এর আগে আলুর অস্বাভাবিক দাম বাড়ায় গত সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর দুই দফা আলুর দাম বেঁধে দেয় সরকার। সর্বশেষ ৭ অক্টোবর খুচরা পর্যায়ে আলুর কেজি ৩৫ টাকা নির্ধারণ করে দেয়া হয়।
জানতে চাইলে পালবাজারের ব্যবসায়ী রফিক মোল্লা বলেন, বাজারে এখন নতুন আলুর সরবরাহ বেড়েছে। সাইজও মোটামুটি ভালো। ফলে নতুন আলুর প্রতি ক্রেতাদের ঝোঁক বেড়েছে। এ কারণে পুরাতন আলুর দামও কমেছে। তিনি বলেন, নতুন আলুর কেজি এখন ৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। কিছুদিন আগে এর চেয়ে ছোট আলুর কেজি ৬০ টাকা বিক্রি করেছি। কয়েক দিনের মধ্যে আলুর দাম আরও কমে যাবে বলে আমাদের ধারণা।
এদিকে ডিমের দাম বাড়ার বিষয়ে পাল বাজার ব্যবসায়ী মো. সাব্বির মিয়া বলেন, বাজারে ডিমের সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। তবে আমাদের হিসেবে এখনো ডিম কম দামে পাওয়া যাচ্ছে।
সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের মতো শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতিপিস ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মুলার কেজি ১০ থেকে ১৫ টাকার মধ্যে। বড় লাউ ৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। আর গাঁজর প্রতিকেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া বেগুনের কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, উস্তের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ থেকে ৫০ টাকা ও পটল ৩০ থেকে ৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এদিকে পুরোপুরি স্বস্তি না ফিরলেও পেঁয়াজের দামও রয়েছে ক্রেতাদের নিয়ন্ত্রণে। দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা।
১৫ ডিসেম্বর, ২০২০।
- Home
- Uncategorized
- কমেছে শীতের সবজির দাম
Post navigation
