১ বছর ধরে ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ দিয়ে চলছে চাঁদপুর নৌ-থানা

স্টাফ রিপোটার
দীর্ঘ ১ বছর ধরে ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ দিয়ে চলছে চাঁদপুর নৌ-থানা। কিন্তু নৌ-থানার অন্তঃর্গত সব নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে ইন্সপেক্টর থাকলেও যে থানার আওতায় চলছে সেই থানাতে কোনো ইন্সপেক্টর নেই গত এক বছর ধরে। এ থানার দায়িত্বে আছেন একজন সাব-ইন্সপেক্টর।
জানা যায়, ২০২০ সালের ৫ মার্চ থেকে চাঁদপুর নৌ-থানা চলছে অফিসার ইনচার্জবিহীন। গতবছর মা ইলিশ রক্ষার মৌসুমে মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুর থেকে মাসখানিকের জন্য ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব নিয়ে আসেন কবির হোসেন। তিনি চাঁদপুর থেকে যাবার পথে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব দেন এসআই জহিরুল ইসলামকে। আজো সেই ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ জহিরুলকে দিয়েই চাঁদপুর নৌ-থানা পরিচালিত হচ্ছে।
চাঁদপুর নৌ-থানার পাশে গত ক’দিন আগে চাঁদপুর অঞ্চলের দায়িত্বে থাকা নৌ-পুলিশ সুপার কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে টিলা বাড়িতে জাটকা রক্ষায় অভিযান চালানো হয়। উদ্ধার করা হয় বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল। কিন্তু এতদিন কেন অভিযান করা হয়নি, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, জহিরুল ইসলামের নির্দেশে পুলিশ সদস্য রিয়াজুলকে দিয়ে টিলা বাড়ির জেলেদের কাছ থেকে টোকেনের বিনিময়ে নদীতে নৌকা নামতে দেয়া হয়। তাছাড়া সময় বেধে দেয়া হয় কোন সময় পুলিশ নদীতে টহলে নামবে। তা নাহলে নৌ-থানার পাশ থেকে জেলেরা নদীতে নামতে সাহস পায় কিভাবে? এছাড়া জাটকা রক্ষায় নদীতে অভিযানে নদীতে নেমে জব্দকৃত জেলে নৌকা অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেন বলেও নৌ থানা এলাকায় কানাঘুষা শুনা যায়। ক’দিন আগে ষোলঘর এলাকার এক ব্যক্তির হাইস মাইক্রো জাটকা পরিবহনে চালকসহ আটক করা হয়। গাড়ির মালিক নৌ-থানায় বিষয়টি জানতে আসলে তাকে দীর্ঘ সময় থানায় বসিয়ে রেখে মোটা অর্থের বিনিময়ে তাকে ছাড়া হয় বলে একাধিক সূত্রে জানা যায়।
এমনিভাবে চাঁদপুর নৌ-থানা চালাচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ এসআই জহিরুল ইসলাম। অদৃশ্য শক্তির কারণে চাঁদপুর নৌ-থানায় অফিসার ইনচার্জ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে না, তা জানতে চায় সাধারণ মানুষ।

২৭ এপ্রিল, ২০২১।