পশ্চিম সকদী ডিবি উবিতে ইউনিক আইডি’র নামে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

 

সজীব খান
চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নের পশ্চিম সকদী ডিবি উচ্চ বিদ্যালয়ের ইউনিক আইডি নামে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা মিলে বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের অবৈধ প্রন্তায় অনলাইনে নিবন্ধন ও রক্ত পরিক্ষা করার অজুহাত দেখিয়ে এ চাঁদা আদায় করেছে। এ নিয়ে বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও সচেতন মহলের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। যাদের কাছ থেকে অবৈধ প্রন্তায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ টাকা নিয়েছে তাদের টাকাগুলো ফিরিয়ে দেওয়ার এলাকাবাসী দাবি করেছে।
জানা যায়, সরকার অনলাইনে ছাত্র-ছাত্রীদের নিবন্ধনের জন্য প্রতিজন ছাত্রছাত্রীদের ইউনিক আইডি করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। আর সে সুযোগকে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কাজে লাজিয়ে অবৈধভাবে ইউনিক আইডির নামে ৩শ’ টাকা করে চাঁদা উত্তোলন করেন। গ্রামের অসহায় ও দুস্থ্য অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎতের কথা চিন্তা করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবিকৃত সে চাঁদার টাকা ধার দেনা করে দিয়েছে। বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে এলাকার ব্যাপক আলোচনার ঝড় উঠেছে। এখানেই শেষ নয়, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির ও প্রধান শিক্ষক মিলে পুরাতন টিনের ঘর ট্রেন্ডার বিহীন কমদামে তাদের পছন্দের ব্যাক্তির কাছে বিক্রি করার ও অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। সরকার ফ্রিতে ছাত্র ছাত্রীদের ইউনিক আইডি করার ঘোষনা দিয়েছে। কিন্তু ডিবি উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কেমন করে ছাত্র ছাত্রীদের কাছে থেকে ইউনিক আইডির নামে চাঁদা আদায় করেছে এমন প্রশ্ন এলাকার সবার মাঝে ঘুরপাক খাচ্ছে। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির জাবেদ আহমেদ সুমনসহ কমিটির অন্যান্যরা ও বিদ্যালয়ের কেরানী মিলে সাদজিল আহমেদ লিমনের বিরুদ্ধ অনিয়মের অভিযোগের তীর রয়েছে।
চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা শাহনাজ বলেন, যদি প্রধান শিক্ষক এটা করেন, তাহলে তিনি অন্যায় করেছেন। তার এভাবে টাকা নেওয়া উচিত হয়না। এ বিষয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে বলরো তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে।
চাঁদপুর সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কামাল উদ্দিন বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই, আমি এ মাত্র শুনলাম। মন্ত্রীর সাথে জুম মিটিংয়ে জন্য আমি যাচ্ছি। এ বলে তিনি লাইন কেটে দেন।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষা শিক্ষক হান্নানুর রহমান হান্নান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, প্রথমে নিয়েছি, এখন বন্ধ করে দিয়েছি। কতজন থেকে নিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি সঠিক সংখ্যা তথ্য তার কাছে নেই বলে জানান।
২২ জুন, ২০২১।