স্টাফ রিপোর্টার
বাবা-মায়ের দ্বন্দ্বের শিকার অসহায় সেই শিশুটির চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু নাঈম পাটোয়ারী দুলাল। গত ৩ জুন বেলা ১১টায় শিশু মোহাম্মদ অনেক অসুস্থ হয়ে পড়লে তার মা তাসলিমা বেগম জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের অফিস সহকারী মো. বাদল রহমানকে ফোন করেন। বাদল রহমান বিষয়টি সাথে সাথে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলালকে জানান। পরে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশক্রমে শিশুটিকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. জামাল সালেহ উদ্দিন শিশুটিকে দেখে তাকে সাথে সাথে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল শিশু সার্জারি বিভাগে রেফার করেন।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল তাৎক্ষণিক ঢাকা মেডিকেল হসপিটাল শিশু বিভাগের কর্মরত চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করেন এবং চিকিৎসার ব্যাপারে নগদ অর্থ দিয়ে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স যুগে তাদের ঢাকায় প্রেরণ করেন। বর্তমানে শিশুটি ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। তার সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রাখছেন চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল। তিনি অফিস সহকারী বাদল রহমানকে শিশুটির সাথে ঢাকা মেডিকেলে সার্বক্ষণিক থাকার জন্য অনুরোধ করেন।
জানা যায়, চাঁদপুর শহরের গুণরাজদী খলিফা বাড়ির মোহাম্মদ মিলন খলিফার শিশু ছেলে মোহাম্মদ গত ১৩ মে শহরের মা ও শিশু হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেন। সিজারে বাচ্চা হওয়ার ফলে শিশুটি ভীষণ অসুস্থ থাকায় তাকে ঢাকা শ্যামলী শিশু হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরবর্তীতে তার বাবা বাচ্চাটির মাকে হসপিটালে রেখেই বাচ্চাটিকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যায়। এদিকে বাচ্চাটির মা তাসলিমা বেগম কিছুটা সুস্থ হলেই তার বাবার বাড়ি নিজ গাছতলা চলে যান।
শিশু মোহাম্মদকে চিকিৎসা শেষে ঢাকা থেকে বাড়িতে আনলে তার মা তাসলিমা বেগম বাচ্চার সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে বাবা ও জেঠা মিলে বাচ্চার সাথে যোগাযোগ করতে দেয়নি বলে অভিযোগ করেন তাসলিমা বেগম।
তাসলিমা বেগমের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমার বাচ্চা হওয়ার এক মাস আগেই আমি আমার বাবার বাড়িতে চলে যাই।
আমার বাচ্চাকে নিয়ে অনেক কিছু ঘটে যাওয়ার পর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল সাহেবের মাধ্যমে আমি আমার বাচ্চাকে আমার কাছে ফিরে পাই। এখন আমার বাচ্চা আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে আমি তার সাথে যোগাযোগ করি। তিনি আমার সন্তানের চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল বলেন, একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে আমার কাজ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের রাজনীতি করি। যতদিন সামর্থ্য থাকবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবো, ইনশাআল্লাহ্।
০৬ জুন, ২০২১।
