চাঁদপুর সদরে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
সজীব খান
চাঁদপুর সদর উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদের হলরুমে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা
শাহনাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান।
এসময় অন্যদের মধ্য বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আইউব আলী বেপারী, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার জামাল হোসেন, চাঁদপুর মডেল থানার ওসি আব্দুর রশিদ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক কেএম দিদারুল আলম, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ ভট্টাচার্য, কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি সালেহ আহমেদ জিন্নাহ, উপজেলা তথ্য আপা ফাতেমা বিনতে হানিফ, আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা শরীফ উদ্দিন, রাজরাজেশ্বর ইউপি চেয়ারম্যান হাজি হযরত আলী বেপারী, ইব্রাহীমপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ কাশিম খান, তরপুচন্ডী ইউপি সচিব তাসলিমা বেগম প্রমুখ।
এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান তার বক্তব্যে বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণের নামে অযথা মানুষকে হয়রানি করা যাবে না। যারা মাদকের সাথে জড়িত তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। মাদক আমাদের সমাজকে ধ্বংস করছে, এ বিষয়গুলো মাথায় নিয়ে প্রকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে হবে।
তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ন্যায়সংগত সব কাজ করতে পারে, আমরা পরি না- আমরা জনপ্রতিনিধি। চাঁদপুর হরিণা ফেরিঘাট এলাকা দিয়ে বিভিন্ন চালানে ইয়াবা যায়। সে বিষয়টা গুরুত্ব সহকারে দেখতে হবে। চুরি-ছিনতাই বন্ধ করার জন্য সবাই মিলে কাজ করতে হবে। হরিণা ফেরিঘাটে বিভিন্ন টোল আদায়ের বিষয়ে চার্ট করে দিতে হবে। যারা আইন-শৃঙ্খলার সাথে জড়িত তাদের একটু ভালোভাবে সহযোগিতা করলে দ্রুত আপরাধ কমে আসবে। আপনারা আমাদের সেবার মান একটু বাড়িয়ে দেন। ইলিশ সংরক্ষণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। ইলিশ আমাদের সম্পদ, অভাশ্রমের সময়ে নদীতে জেলেরা যাতে মাছ শিকার করতে না পরে সেদিকে লক্ষ্যে রাখতে হবে। সামনে শারদীয় উৎসব, এ সময় আইন-শৃঙ্খলার যাতে ব্যাঘাত না ঘটে সেজন্য কাজ করতে হবে। পূজা মন্ডপগুলোতে প্রশাসনিক নজরদারী রাখতে হবে।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা শাহনাজ বলেন, আমাদের চাঁদপুরে বাল্যবিয়ে বন্ধ করা হচ্ছে। বাল্যবিয়ে বন্ধ করার জন্য সব চেয়ারম্যান সঠিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। চাঁদপুরে বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে ইউনিয়নের কাজীদের নিয়ে বসতে হবে। যেসব কাজী বাল্যবিয়ে করাচ্ছে তাদের আইনের আওতায় এনে সাজা দিলে বাল্যবিয়ে বন্ধ হবে।
তিনি বলেন, জন্ম নিবন্ধনের বিষয়ে চেয়ারম্যানদের সচেতন হতে হবে। জন্ম নিবন্ধনের বয়স বাড়ানো-কমানো বিষয়গুলো ভালোভাবে দেখতে হবে। সহজে জন্ম নিবন্ধনের বয়স বাড়ানো কিংবা কমানো যাবে না। জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন করতে সবাইকে উৎসাহ দিতে হবে। তাদের অভিনন্দন বার্তা পাঠালে জন্ম নিবন্ধন করতে মানুষ উৎসাহী হবে।
১২ অক্টোবর, ২০২১।
