
স্টাফ রিপোর্টার
অসহায় এক নারীকে মারধর ও বাড়ির স্বর্ণলঙ্কার ও আসবাপত্র লুটপাটসহ একাধিক মামলার আসামি মো. বিল্লাল হোসেন খান চাঁদপুর সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।
এ বিষয়ে চাঁদপুর মডেলে থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) ও কমিউনিটি পুলিশের (সিপিআই) মো. আব্দুর রব জানান, আমাদের কাছে এমন অভিযোগ আসেছে। ইতোপূর্বে তাকে নিয়ে পত্রপত্রিকায় লেখালেখি হয়েছে। আমরা এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখছি। এগুলো যদি সত্য প্রমাণিত হয় তাহলে সে তার পদ হারাবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুর সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের উত্তর বালিয়া গ্রামের মৃত ওয়াহেদ বক্স খানের পুত্র বিল্লাল হোসেন খানের বিরুদ্ধে গরীব ও অসহায় মানুষকে মারধর, স্বর্ণলঙ্কারসহ বাড়ির আসবাপত্র লুটপাট, অন্যের জমি দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে চাঁদপুর মডেল থানায় একাধীক মামলা ও জিডি রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়েছে। এমনাবস্থায় কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির মতো এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তাকে দ্বায়িত্ব প্রদান জনমনে নানাহ প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
বিল্লাল হোসেন খানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে ইতোপূর্বে চাঁদপুরের স্থানীয় প্রায় ৬ থেকে ৭টি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। এর মধ্যে তিনি একটি পত্রিকায় নিজেকে নির্দোষ দাবি করে প্রতিবাদও প্রকাশ করেছেন।
মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে খোঁজ-খবর নিয়ে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৬ জুলাই চাঁদপুর মডেল থানায় উত্তর বালিয়ার এমদাদ খানের স্ত্রী মুক্তা বেগম (২৮) বাদী হয়ে বিল্লাল হোসেন খানসহ আরো কয়েকজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করে। মামলা নং ৬৪, তাং ২৬/০৭/২০১৭ইং। ধারা -১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩২৪/৩০৭/৩৭৯/৪২৭।
একই বছরের ৩১ ডিসেম্বর চাঁদপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিরাজুল হক চৌধুরী মামলাটির প্রতিবেদন দাখিল করেন।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ২০১৭ সালের ২৪ জুলাই সন্ধ্যায় জায়গা জমি বিরোাধে বিল্লাল হোসেন খানসহ আসামিরা মুক্তা বেগমের ঘরে প্রবেশ করে ছেনি, লোহার রড ইত্যাদি অস্ত্র নিয়ে হত্যার উদ্দেশে মারধর করে। এসময় ঘরে থাকা স্বর্ণলঙ্কার, আলমারি, খাটসহ প্রায় ২ লাখ টাকার মালামাল লটু করে নিয়ে যায় এবং বসতঘর ভাংচুর করে।
