ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে চাঁদপুর জেলা আ.লীগের আলোচনা সভা

বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার আদর্শকে ধারণ করে রাজনীতি করতে হবে
………নাছির উদ্দিন আহমেদ
বাঙালি জাতি সেদিন বঙ্গবন্ধুর ডাকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পরে
………….আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল
এস এম সোহেল
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। রোববার (৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টায় জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় প্রাঙ্গণে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলালসহ নেতা-কর্মীরা। এরপর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করে জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, কৃষক লীগ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
সকাল ৮টায় জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের নিচতলায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ বলেন, মার্চ মাস বাঙালি জাতির জন্য একটি ঐতিহাসিক মাস। বঙ্গবন্ধু জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ডাক দেন। বঙ্গবন্ধুর সেই ১৮ মিনিটের ভাষন জাতিসংঘের ঐতিহ্যে স্থান পেয়েছে। তিনি আমাদের একটি স্বাধীন দেশ, মানচিত্র ও জাতীয় পতাকা দিয়েছেন। কিন্তু ‘৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর স্বপরিবারে হত্যা করা হয়। সেদিন স্বাধীন দেশকে পরাধীন করতেই জাতির জনককে হত্যা করা হয়।
তিনি আরো বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ আজ ঐক্যবদ্ধ। আওয়ামীলীগ একটি আদর্শিক রাজনৈতিক দল। আমাদের জাতির জনক ও জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শকে সামনে রেখে রাজনীতি করতে হবে। আওয়ামী লীগ যুদ্ধে নেতৃত্ব দানকারী দল। তাই আমাদের ঐক্যের কোন বিকল্প নেই। আজ জেলা আওয়ামী লীগ এক ও অভিন্ন। আজ দুঃখ হয় আওয়ামী লীগই সরকারি দল ও বিরোধী দল। আজ ঘরের মধ্যে ঘর তৈরি তরা হয়েছে। তবে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে কোন মতানৈক্য নেই, তাই চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের মধ্যে বিভেদ নেই।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল তার বক্তব্যে বলেন, বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতেই ৭ মার্চ। ৭ মার্চ থেকেই বাংলার স্বাধীনতার যাত্রা হয়। পুরো বাঙালি জাতি সেদিন জাতির পিতার ডাকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পরে। আজকের এ দিনে আমাদের শপথ নিতে হবে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগকে কালো থাবা থেকে রক্ষা করতে হবে। আওয়ামী লীগকে সঠিক রাস্তায় আনতে হবে এবং বাঁচাতে হবে এটাই হোক আমাদের শপথ। জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমরা কাজ করবো। অসাংগঠনিকভাবে যেসব কমিটি করা হয়েছে তা জেলা আওয়ামী লীগ অনুমোদন দিবে না। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক জেলার কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ‘দুই দিনের বৈরাগী ভাতে রে বলে অন্ন’- এ ধরনের রাজনীতি করেন তা আপনারা পরিহার করেন, ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলের জন্য কাজ করেন।
জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জহিরুল ইসলামের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি প্রকৌ. আব্দুর রব ভূঁইয়া, আব্দুর রশিদ সর্দার, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. রুহুল আমিন সরকার, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক নুরুল ইসলমি মিয়াজী, দপ্তর সম্পাদক শাহ আলম মিয়া, সাবেক শ্রম বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, সাবেক সদস্য জসিম উদ্দিন পাটওয়ারী, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাব্বির হোসেন মন্টু দেওয়ান, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মঞ্জুর আহমেদ মঞ্জু, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান কালু ভূঁইয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক সালাউদ্দিন মো. বাবর, পৌর আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া, জেলা শ্রমীক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহবুবুর রহমান, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পারভেজ করিম বাবু, ছাত্র নেতা ওমর ফারুক, জেলা কৃষক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ইউপি চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ, কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক, মহিলা আওয়ামী লীগের পক্ষে রানু বেগম, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাসুদুর রহমান পরান, মৎস্য শ্রমিক লীগ নেতা মালেক দেওয়ান প্রমুখ।
০৮ মার্চ, ২০২১।