
যারা মারধর করছে তারা হুজুগে বাঙালি
…..পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির
এস এম সোহেল
পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির বলেছেন, পদ্মা সেতুতে মাথা বা রক্ত লাগবে এটা একটা গুজব। যার কোন ভিত্তি নেই। যারা মারধর করছে তারা হুজুগে বাঙালি। গতকাল বুধবার বিকেলে তিনি তার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।
পুলিশ সুপার আরো বলেন, গুজব প্রতিরোধে আমরা সপ্তাহ পালন করব। সমাজের সব শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণে সপ্তাহটি পালন করা হবে। গুজবের ঘটনায় ৪টি মামলা হয়েছে। আর মারধরসহ অন্যান্য কারণে ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। চাঁদপুর জেলা পুলিশ এ বিষয়ে কাজ করছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার ও বিভিন্ন স্থানে সচেতনতার লক্ষ্যে মাইকিং করা হচ্ছে।
তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, আপনাদের প্রতি অনুরোধ প্রকৃত ঘটনা লিখবেন। বিভ্রান্ত করার মতো কোন নিউজ করবেন না। গুজবের ঘটনাটি কয়েকদিন বন্ধ থাকলেও অন্যান্য জেলায় যেহেতু আবার শুরু হয়েছে, তাই আমাদের সচেতন হতে হবে। কারণ দেশটাকে ভাল রাখতে আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জাহেদ পারভেজ চৌধুরী, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. নূরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান, ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বেপারী ও আবিদা সুলতানা, চাঁদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি শহীদ পাটোয়ারী, সাধারণ সম্পাদক লক্ষন চন্দ্র সূত্রধর, চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নাসিম উদ্দিন, ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. হারুনুর রশিদসহ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
সম্প্রতি ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর শিক্ষিকা জয়ন্তী হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে উপস্থিত সাংবাদিকরা পুলিশ সুপারের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কয়েকজনকে এনেছি। আবার কয়েকজনকে ছেড়েও দিয়েছি। এটি চলমান প্রক্রিয়া। এ ঘটনায় আমরা একটি টিম করেছি। তারা তাদের কাজ করছে। ধর্ষণের কোন আলামত আছে কিনা তা পোস্টমর্টেম রিপোর্টের পর জানা যাবে।
পরে গুজব বিষয়ে চাঁদপুর পৌর কাউন্সিলর, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান এবং বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন পুলিশ সুপার।
২৫ জুলাই, ২০১৯।