হাইমচর ব্যুরো
হাইমচর চরভৈরবী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে ইলিয়াছ লিটনকে চায় তৃণমূল নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠিতব্য চরভৈরবী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে নতুন কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদে তৃণমূল নেতা-কর্মী থেকে শুরু
করে ইউনিয়নবাসীর আলোচনায় ইলিয়াছ লিটন। তাঁর জনপ্রিয়তা এবং নেতৃত্বের গুণাবলী নিয়ে ইউনিয়নবাসীর আলোচনায় রয়েছেন তিনি।
গত ২৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনের ২য় অধিবেশনে ইলিয়াছ লিটনকে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রস্তাব করার সাথে সাথে শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে সম্মেলনস্থল। একাধিক প্রার্থীর প্রস্তাব থাকায় প্রার্থীরা জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ এবং ডা. দীপু মনি যে সিদ্ধান্ত দেয় তারা তা মেনে নিবেন বলে একমত পোষণ করেন।
কাউন্সিলরদের দাবি, চরভৈরবী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত ও আরো শক্তিশালী এবং ডা. দীপু মনির হাত ধরে জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইলিয়াছ লিটনকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চায় তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাথে আলাপ করলে তারা জানায়, ইলিয়াছ লিটন ১৯৮৯ সালে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯২ সালে নীলকমল ওচমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের আহ্বায়ক ছিলেন। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা তেজগাও কলেজ ছাত্রলীগের শিক্ষা ও ক্রিয়া বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৯৭ সালে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করলে ইলিয়াছ লিটনকে সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়া হয়। ২০০৮ সালে তিনি হাইমচর উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১০ সালে চরভৈরবী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবুর রহমানকে নির্বাচন কমিশন করে ৪০ জন ভোটারের ভোটগ্রহণ করা হয়। তখন তিনি ৪০ জন ভোটারের মধ্যে ৩৩ ভোট পেলেও তাকে সাধারণ সম্পাদক পদটি দেয়া হয়নি। ২০১৩ সালে তিনি উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক, ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তিনি চরভৈরবী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার এ দীর্ঘ রাজনীতি বিবেচনা করে চরভৈরবী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন চরভৈরবী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতৃবৃন্দসহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
