স্টাফ রিপোর্টার
চলমান করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিধিনিষেধের ‘কঠোর লকডাউন’ এর শুরু থেকে চাঁদপুরবাসীর সুরক্ষায় জেলা জুড়ে প্রাণপণ চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন পুলিশ প্রশাসন।
গত ১ জুলাই কঠোর লকডাউনের শুরু থেকে সোমবার (৫ জুলাই) সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলা সদরের চেক পোস্ট, গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও উপজেলা পর্যায়ে পুলিশের দায়িত্ব পালনের এমন দৃশ্যই চোখে পড়েছে।
পুলিশ সুপার মো. মিলন মাহমুদের নির্দেশনায় জেলার প্রত্যেকটি ইউনিটের পুলিশ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কঠোর দায়িত্ব পালন করে আসছে। চাঁদপুরবাসীকে প্রয়োজন ছাড়া ঘরে থাকার জন্য দিন ও রাতে পুলিশের দায়িত্ব পালন ইতোমধ্যে সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ইতোমধ্যে ২০ জন পুলিশ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর আগে ২০২০ সালেও চাঁদপুর জেলা পুলিশের বহুসংখ্যক পুলিশ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হন।
চাঁদপুরে করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করার জন্য জেলা প্রশাসনের সব কার্যক্রম বাস্তবায়নে সক্রিয় অংশগ্রহণ করছে পুলিশ। পাশাপাশি পুলিশ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিজেদের রুটিন কার্যক্রমও অব্যাহত রেখেছেন।
গতকাল সোমবার চাঁদপুর জেলা সদরে পুলিশের লকডাউনে দায়িত্ব পালন সরেজমিন পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ। তিনি আজ করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ সর্বাত্মক বাস্তবায়ন করার লক্ষে বাবুরহাট, ওয়ারলেস মোড়, বঙ্গবন্ধু সড়কের মাথা ও বাসস্ট্যান্ড এলাকা পরিদর্শন করেন।
চলমান লকডাউনে জনসাধারণের অযাচিত চলাফেরা নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশ সুপার এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আসিফ মহিউদ্দীনের তৎপরতা এবং চেকপোস্ট ও নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত আছে বলে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
এর আগে করোনার তৃতীয় ঢেউ শুরু হলে এবং চাঁদপুর জেলা যখন উচ্চ ঝুঁকির তালিকায় আসে তখন পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ জেলা পুলিশের ফেসবুক পেজ থেকে চাঁদপুরবাসীর উদ্দেশে সতর্কতা ও সচেতনতামূলক বক্তব্য দিয়ে বার্তা প্রকাশ করেন।
০৬ জুলাই, ২০২১।
