বিশেষ প্রতিনিধি
চাঁদপুর জেলায় এই পর্যন্ত ১৯০ জনের করোনাভাইরাসের পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় প্রেরণ করেছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ১৪০ জনের রিপোর্ট এসেছে। অপেক্ষমান আছে আরো ৫০টি। এর মধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ১০ জন। একজনের মৃত্যু হয়েছে। আরেকজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
রোববার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা পর্যন্ত নতুন করে আরো ৩০ জনের রিপোর্ট এসেছে বলে সিভিল সার্জন অফিস থেকে জানা গেছে। তাদের সবার রিপোর্ট নেগেটিভ। অর্থাৎ তারা কেউই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নন।
চাঁদপুর সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চাঁদপুরে মোট রিপোর্ট এসেছে ১৪০ জনের। এর মধ্যে করোনা ভাইরাস পজেটিভ আসে ১০টি। এ পর্যন্ত জেলা ও উপজেলা থেকে ১৯০টি নমুনা সংগ্রহ করে সিভিল সার্জন অফিসের ব্যবস্থাপনায় আইইডিসিআর-এ পাঠানো হয়।
করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে চিকিৎসাধীন আছেন ৮ জন। প্রথম আক্রান্ত মতলব উত্তরের জামাই সুজন সুস্থ হয়ে ফের শ্বশুর বাড়ি ফিরেছেন। এছাড়া ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়িও মতলব উত্তর উপজেলায় এবং চাঁদপুর সদর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের কামরাঙ্গা এলাকার জামাতা তিনি। তার মৃত্যুর পরে রিপোর্ট পজেটিভ জেনেছেন চাঁদপুর স্বাস্থ্য বিভাগ।
এ ব্যাপারে চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. সাখাওয়াত উল্লাহ গতকাল রোববার সন্ধ্যায় মুঠোফোনে জানান, রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত যে ৩০ জনের রিপোর্ট পাওয়া গেছে তার সবগুলো করোনা নেগেটিভ। বাকি ৫০টি রিপোর্টের মধ্যে কিছু রোববার রাতের মধ্যে আসতে পারে। তিনি আরো বলেন, আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন আছেন চাঁদপুর সদর হসপিটালে ৩ জন।
অপরদিকে মতলব উত্তরে বাড়ি করোনায় আক্রান্ত হয়ে এক ব্যবসায়ী মারা গেছেন। রোববার (১৯ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৪৮। জহিরাবাদ ইউনিয়নের নেদামদী গ্রামে তার পৈত্রিক বাড়ি।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মারা যাওয়া ওই ব্যক্তি নারায়ণগঞ্জের চাষাড়া এলাকায় কাঁচামালের ব্যবসায়ী ছিলেন। সেখানেই তিনি পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করতেন। ঈদ উৎসবসহ বিভিন্ন পারিবারিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে তিনি মাঝে মাঝে মতলব উত্তর এলাকার জহিরাবাদ ইউনিয়নের নেদামদী গ্রামে তার পৈত্রিক বাড়িতে আসতেন।
১৯ এপ্রিল, ২০২০।
