এস এম সোহেল
রমজানের ঈদ ঘিরে বাহারি ডিজাইনের জিনিসপত্র দিয়ে ব্যবসায়ীরা সাজিয়েছে চাঁদপুরের মার্কেটগুলোতে। ক্রেতা টানতে নিজেদের চেষ্টার কমতি রাখেনি কেউই। ঈদ কাছাকাছি আসায় প্রত্যাশা বাড়ছে বিক্রেতাদের। এর মধ্যে হঠাৎ করেই বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বৃষ্টি।
বুধবার (২০ এপ্রিল) সকালে চাঁদপুরে কালবৈশাখীর তাণ্ডবের পর থেমে থেমে বৃষ্টিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বিক্রিতে। যদিও দোকানদারদের আশা ইফতারির পর জমবে ঈদ মার্কেট। চাঁদপুর শহরের কালীবাড়ি, মীরশপিং, হকার্স মার্কেট, হাকিম প্লাজা, মদিনা শপিং সেন্টার, ফয়সাল কমপ্লেক্সসহ বেশ কয়েকটি মার্কেটে ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
হকার্স মার্কেটের ব্যবসায়ী মো. জাহাঙ্গীর জানান, রমজান মাসে সাধারণত সকালে ক্রেতা কম থাকে। আজ সকাল থেকে থেমে থেমে বৃষ্টির কারণে ক্রেতা সমাগম আরো কম ছিল।
তিনি আরো বলেন, করোনার কারণে লকডাউনসহ বিভিন্ন বিধিনিষেধে ব্যবসার অবস্থা খুব খারাপ ছিল। চলতি বছর আশা করছি বিকিকিনি জমজমাট হবে।
কালীবাড়ি এলাকার সোহেল সুজের পরিচালক মো. হোসেন ইসলাম বলেন, অনেকদিন করোনায় দোকানের ব্যবসার অবস্থা ভালো ছিল না। চলতি বছর আমাদের প্রত্যাশা অনেক বেশি। ঈদের বাজার জমে উঠছে, সেটা আশার কথা। আজ সকালে বৃষ্টির কারণে ভাটা পড়েছে।
অধিকাংশ বিক্রেতারা বলছেন, ১৫ রমজান পার হলেও ক্রেতা সমাগম আশানুরূপ নেই। তবুও বড়দের পাশাপাশি এবার শিশুদের পোশাক, জুতার কালেকশন তুলনামূলক বেশি রেখেছি।
হাকিম প্লাজায় ছেলেদের জন্য ঈদের কেনা-কাটা করতে আসা একজন বলেন, ঈদের বাজার হলেও ভিড় এখনো কম মনে হয়েছে। যদিও আজকের পরিস্থিতি একটু ভিন্ন। কারণ সকালে বৃষ্টি ছিল। ছেলেদের জন্য পোশাক কিনলাম। দাম আগের তুলনায় বেশি। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো পোশাক ডিজাইনের খুব বেশি পার্থক্য চোখে পড়ছে না।
২১ এপ্রিল, ২০২২।
