চাঁদপুরে এসএসসিতে পাসের হার ৮৩.২৯%

জিপিএ-৫ পেলো ২ হাজার শিক্ষার্থী

এস এম সোহেল
সারাদেশে একযোগে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল এবং কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের আওতায় ভোকেসনাল পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (১২ মে) সকালে স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানগুলোতে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। শিক্ষার্থীরা মোবাইলের মাধ্যমে ইন্টারনেট থেকে ফলাফল সংগ্রহ করার কারণে বিদ্যালয়গুলোতে তেমন কোন শিক্ষার্থী আসেনি।
চাঁদপুরে ২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ২৮৪টি স্কুলের ২৭ হাজার ১শ’ ৩৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ২২ হাজার ৬শ’ ৫ জন। শতকরা পাসের হার ৮৩.২৯ শতাংশ। এর মধ্যে জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৩ জন পরীক্ষার্থী।
বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, চাঁদপুর জেলার ৮ উপজেলার মধ্যে পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে কচুয়া উপজেলা। কচুয়া উপজেলায় এবার এসএসসিতে পাসের হার ৯৪.৯৮ শতাংশ। ৯১.৬৩ শতাংশ পাস করায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে হাজীগঞ্জ উপজেলা এবং ৮৬.১৮ শতাংশ পাস নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে শাহরাস্তি উপজেলা।
এদিকে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির দিক থেকে ৫৫৮ এ প্লাস নিয়ে শীর্ষে রয়েছে চাঁদপুর সদর উপজেলা, ৪৬৭ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাওয়ায় জেলায় দ্বিতীয় স্থানে কচুয়া উপজেলা এবং ৪০১ জিপিএ-৫ নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে হাজীগঞ্জ উপজেলা।
উপজেলাওয়ারী প্রাপ্ত ফলাফলের হিসাবে দেখা যায়, চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪৯টি স্কুল থেকে ৫ হাজার ৩২৪ জন পরীক্ষার্থী এসএসসিতে অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয় ৪ হাজার ৫৭৩ জন। পাসের হার ৮৫.৮৯ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৫৮ জন পরীক্ষার্থী।
শাহরাস্তি উপজেলার ৩৪টি স্কুল থেকে ৩ হাজার ১শ’ ১৯ জন পরীক্ষার্থী এসএসসিতে অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয় ২ হাজার ৬শ’ ৮৮ জন। পাসের হার ৮৬.১৮ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৮৬ জন পরীক্ষার্থী।
হাজীগঞ্জ উপজেলার ৩৩টি স্কুল থেকে ৩ হাজার ৪১৭ জন পরীক্ষার্থী এসএসসিতে অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয় ৩ হাজার ১৩১ জন। পাসের হার ৯১.৬৩ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০১ জন পরীক্ষার্থী।
কচুয়া উপজেলার ৪০টি স্কুল থেকে ৩ হাজার ৬০৫ জন পরীক্ষার্থী এসএসসিতে অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয় ৩ হাজার ৪২৪ জন। পাসের হার ৯৪.৯৮ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৬৭ জন পরীক্ষার্থী।
মতলব উত্তর উপজেলার ৪০টি স্কুল থেকে ৪ হাজার ১শ’ জন পরীক্ষার্থী এসএসসিতে অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয় ২ হাজার ৭৬২ জন। পাসের হার ৬৩.৩৭ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭২ জন পরীক্ষার্থী।
মতলব দক্ষিণ উপজেলার ২৮টি স্কুল থেকে ২ হাজার ৬০৭ জন পরীক্ষার্থীতে এসএসসিতে অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয় ১ হাজার ৮৬৭ জন। পাসের হার ৭১.৬১ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭০ জন পরীক্ষার্থী।
ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৪৭টি স্কুল থেকে ৪ হাজার ১২৯ জন পরীক্ষার্থী এসএসসিতে অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয় ৩ হাজার ৪৬৯ জন। পাসের হার ৮৪.০২ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩৭ জন পরীক্ষার্থী।
হাইমচর উপজেলার ১৩টি কলেজ থেকে ৮৩৮জন পরীক্ষার্থী এসএসসিতে অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয় ৬৯১ জন। পাসের হার ৮২.৪৬ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫২ জন পরীক্ষার্থী।

১৩ মে, ২০২৪।