স্টাফ রিপোর্টার
চাঁদপুর জেলাবাসীর জন্যে আবারো সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তাঁর গর্বিত পিতা বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর ভাষাবীর এম এ ওয়াদুদ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের সার্বিক সহযোগিতায় চাঁদপুরে চালু হচ্ছে করোনা তথা কোভিড-১৯ টেস্টিং ল্যাব। আশা করা যাচ্ছে এক মাসের মধ্যে চাঁদপুরে এই ল্যাব চালু করা যাবে। আর একেবারে নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করলে তা বলতে আগামি মাস তথা জুলাইর তৃতীয় সপ্তাহে এই ল্যাবের কার্যক্রম চালু করা যাবে। এমনই তথ্য দিলেন ভাষাবীর এম এ ওয়াদুদের ছেলে ডায়াবেটিকে ফুট সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডা. জেআর ওয়াদুদ টিপু। এই লক্ষ্য নিয়ে বুধবার সিভাসুর (চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সাইন্সেস ইউনিভার্সিটি) করোনা ল্যাবরেটরির বিশেষজ্ঞ টিম চাঁদপুরে পরিদর্শন আসেন। এঁরা হচ্ছেন সিভাসুর প্যাথলজিস্ট গবেষক ডা. মো. সিরাজুল ইসলাম এবং সিভাসুর মাইক্রোবাইয়োলজিস্ট ডা. ত্রিদিপ দাস।
এ বিশেষজ্ঞ টিম সকালে চাঁদপুর এসে শহরের সম্ভাব্য কয়েকটি স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁদের সাথে ছিলেন চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. সাখাওয়াত উল্লাহ, চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. জামাল সালেহ উদ্দিন, আড়াইশ’ শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. একেএম মাহবুবুর রহমান, আরএমও ডা. সুজাউদ্দৌলা রুবেল, বিএমএ’র সভাপতি ডা. নূরুল হুদা, সাধারণ সম্পাদক ডা. মাহমুদুন্নবী মাসুম, চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বেপারী, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এএইচএম আহসান উল্লাহ, শিক্ষামন্ত্রীর চাঁদপুরস্থ প্রতিনিধি অ্যাড. সাইফুদ্দিন বাবু প্রমুখ।
এ বিশেষজ্ঞ টিম শহরের সম্ভাব্য কয়েকটি স্থান পরিদর্শন করে উপযোগী একটি স্থানকে নির্বাচন করেন। যেটির অবকাঠামো প্রস্তুত অবস্থায় আছে। এখন শুধু সেই স্থাপনাটিকে ল্যাবের উপযোগী হিসেবে প্রস্তুত করার কাজ। এই প্রস্তুতির জন্যেও প্রয়োজনীয় সব দিক নির্দেশনা দিয়ে গেছেন বিশেষজ্ঞ টিম। আর এই গতিতে কাজ চললে জুলাইর ২০ তারিখের মধ্যে চাঁদপুরে করোনা টেস্টিং ল্যাব চালু করা সম্ভব হবে বলে মতামত দিলেন বিশেষজ্ঞ টিমের গবেষক ডা. মো. সিরাজুল ইসলাম।
ডা. জেআর ওয়াদুদ টিপুও একইভাবে বললেন, জুলাইর তৃতীয় সপ্তাহে চাঁদপুরে করোনা টেস্ট কার্যক্রম চালু করার লক্ষ্য নিয়ে তাঁরা এগুচ্ছেন। তিনি আরো জানান, এই ল্যাবের ভৌত অবকাঠামোকে পুরোপুরি প্রস্তুত করা, ল্যাবরেটরির মেশিনপত্রসহ আনুষঙ্গিক সকল সরঞ্জামাদি ক্রয়সহ ল্যাবটি চালু করা পর্যন্ত সব অর্থ ব্যয় ভাষাবীর এম এ ওয়াদুদ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় হবে। আর এটি বাস্তবায়ন হবে চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের নামে।
বিশেষজ্ঞ টিম আরো জানায়, এই ল্যাবটি চালু হলে শুরুতে দিনে দুই শ’ টেস্ট করা যাবে। পরবর্তীতে লোকবল বাড়ানো হলে দিনে তিনশ’র মতো টেস্ট করা যাবে।
২৪ জুন, ২০২০।
