চাঁদপুরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন

সবাই সচেতন থাকলে অভিযানের প্রয়োজন হয় না
………..জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান

সজীব খান
জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো পরিবর্তনের জন্য আমাদের মাছের উৎপাদন বাড়াতে হবে। সবাই সচেতন থাকলে অভিযানের প্রয়োজন হয়না। সবাই মিলে মাছের সম্পদ রক্ষা করতে পারলেই মাছের উৎপাদন বাড়বে। রোববার (২৪ জুলাই) চাঁদপুরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদ্বোধন উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষার্থে আমাদের দেশিয় মাছের আরো উৎপাদন বাড়াতে হবে। বিশাল দেশে প্রচুর সমুদ্র এবং নদী রয়েছে, সেখানে সঠিক ভাবে মাছ রক্ষা করার জন্য সবার অবস্থান থেকে সচেতন হতে হবে। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি করতে হলে মাছ রক্ষা করার বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, কারেন্ট জাল আমাদের বড় একটা সমস্যা, এ থেকে বের হতে হবে। মা ইলিশ রক্ষার সময় সবাইকে একটু সচেতন হতে হবে, যে কোন মাছ ডিম দেওয়ার সময় ধরা থেকে বিরত থাকলে দেশের ইলিশ উৎপান বাড়বে। অভয়াশ্রমের সময় সবাই সচেতন হয়ে সরকারের দেওয়া বিধিমালা মানতে হবে। জেলেরা যাতে নিষেধাজ্ঞার সময় নদীতে মাছ ধরতে না নামে, সে বিষয়ে তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। যে কোন পর্যায়ে মাছ আমাদের সংরক্ষণ করতে। আমরা মাছে ভাতে বাঙালি, মাছের সম্পদ বৃদ্বিকরা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সবাই সম্মলিত ভাবে কাজ করলে মাছের সম্পদ রক্ষা পাবে। দেশের উন্নয়নে অভায়াশ্রমের সময় মাছ ধরা থেকে বিরত থাকতে হবে। নিষেধাজ্ঞা সময় অনেক মাছ ধ্বংস হচ্ছে। বিভিন্ন কারনে মাছ ধ্বংস হচ্ছে। মাছ আমাদের শরীরের আমিষের চাহিদা মিটায়।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. গোলাম মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের পরিচালনায় সদর উপজেলা পরিষদের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায়, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ হেলাল চৌধুরী, জেলা কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো. জালাল উদ্দিন, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা তানজিমুল ইসলাম, মৎস্য বণিক সমিতির সভাপতি আব্দুল বারী জমাদার মানিক, জেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি মানিক দেওয়ান, সদর উপজেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম, মৎস্যজীবী লীগ নেতা মালেক দেওয়ান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন মৎস্য অফিসের কর্মচারী আব্দুল্লাহ আল বারী ও গীতা পাঠ করেন সুমন চন্দ্র দাস।

২৫ জুলাই, ২০২২।