সজীব খান :
বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ, পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং লাঘব, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়নের জন্য চাঁদপুরে এ বছর ২ কোটি ৬১ লাখ টাকার সৌর বিদ্যুৎচালিত সোলার সিস্টেম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও চাঁদপুরের সাবেক জেলা প্রশাসক মো. ইসমাইল হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে এ সোলার সিস্টেম বরাদ্দ দেয়া হয়। চাঁদপুর সদরের ১৪টি ইউনিয়নের জন্য প্রায় ৮ শতাধিক বিভিন্ন ওয়ার্ডের সোলার সিস্টেম দেয়া হবে। যার কাজ প্রায় শেষের দিকে। রিমসো ফাউন্ডেশান বাংলাদেশ সরকার এ প্রকল্পের কাজ করছে। যার তদারকি করছে ইডকল ও উপজেলা প্রশাসন।
চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার (পিআইও) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকারের ভিশন-২০৪১ সালকে সামনে নিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ রুপান্তরের জন্য সরকার বিনা পয়সায় সোলার সিস্টেম প্রকল্প চালু করেছে। সরকারের লক্ষ্য ধীরে ধীরে সবক্ষেত্রে সোলার সিস্টেমে নিয়ে আসা। কারণ, সোলার সিস্টেমে নিয়ে আসলে দেশের লোডশেডিং একেবারেই কমে আসবে, দেশ ডিজিটাল বাংলাদেশে রুপান্তরিত হবে।
সরকারের সোলার সিস্টেমের কাজ অত্যান্ত সুন্দর ও নিখুঁতভাবে হচ্ছে। কারণ, প্রকল্পের কাজ অনুমোদন হওয়ার পর সরাসরি সরকারের নিয়োগকৃত রিম শো ফাউন্ডেশানকে দেয়া হয়, আর তারা সে কাজ ইডকলের মাধ্যমে করায় তা’ অত্যন্ত স্বচ্ছতার মাধ্যমে হয়। কারণ কাজগুলো ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা তদারকি করেন। তারা তাদের ইউনিয়নের জন্য বরাদ্দ করা সোলার সিস্টেমের কাজ সঠিকভাবে করার জন্য সব সময় তাদের সাথে থাকেন। প্রতিটি সোলার সিস্টেমে ৫ বছর পর্যন্ত কোন প্রকার সমস্যা হলে তা ইডকল তা মেরামত করবে।
তিনি বলেন, এটা সরকারের মহতী উদ্যোগ, গ্রামের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে বিদ্যুতায়নে নিয়ে আসার জন্য সরকার সোলার সিস্টেম চালু করেছে। সরকার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিবে। ফলে দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান আরো উন্নত হবে। গ্রামাঞ্চলের কমলমতি শিক্ষার্থীদের লোডশেডিং লাঘব হবে। ফলে দেশের শিক্ষার হার বৃদ্ধি পাবে। এ প্রকল্প চালু হওয়ার ফলে দুনীতির লাঘব টানা সম্ভাব হয়েছে। সোলার সিস্টেম বাস্তবায়নে দুর্নীতি কোন সুযোগ নেই। কারণ, সরাসরি সরকার তাদের কাছ থেকে কাজ বুঝে নিচ্ছে। ফলে এ প্রকল্পে স্বচ্ছতা পুরোটাই রয়েছে।