এস এম সোহেল
চাঁদপুরে ৮টি উপজেলা ও ২টি পৌরসভায় ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৯শ’ ৭৭ জন শিশুকে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে। সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সারাদেশের মতো চাঁদপুরেও জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্ল¬াস ক্যাম্পেইন ২০২৩ উদযাপিত হয়েছে। সকাল ৮টা হতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কার্যক্রম চলে।
সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল ৮টা হতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ দিন ৬-১১ মাস বয়সি শিশুকে নীল রংঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপস্যুল এবং ১২-৫৯ বছর বয়সী শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপস্যুল খাওয়ানো হয়েছে।
চাঁদপুর জেলার ৮টি উপজেলা ও ২টি পৌরসভায় মোট ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৯শ’ ৩৭ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এরমধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী মোট ৩৮ হাজার ১শ’ ৯২ জন শিশু এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী মোট ৩ লাখ ৯ হাজার ৭শ’ ৫৫ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।
এরমধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী মোট ৩৭ হাজার ৭শ’ ৬২ জন শিশু এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী মোট ৩ লাখ ৭ হাজার ২শ’ ১৫ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে।
চাঁদপুর জেলায় ২ হাজার ২শ’ ৬১টি কেন্দ্রের মাধ্যমে স্বাস্থ্য বিভাগের ৫শ’ ৩৩ জন স্বাস্থ্য সহকারী এবং পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের ৪ শ’ ৮০ জন পরিবার কল্যাণ সহকারী এবং ৫ হাজার ৭শ’ ৭০ জন স্বেচ্ছাসেবক সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে শিশুদেরকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপস্যুল খাওয়ানো কজে নিয়োজিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, চাঁদপুর জেলায় ৬-১১ মাস বয়সি শিশুদের নীল রঙের (১ লাখ আইইউ) ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপস্যুল এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে লাল রঙের (২ লাখ আইইউ) ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপস্যুল খাওয়ানো হয় এবং শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি পরিমাণ যত ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানোর জন্য বার্তাটি প্রচার করে। ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপস্যুল খাওয়ানোর ফলে শিশুর অন্ধত্ব প্রতিরোধ করবে, শিশুর শারীরিক বিকাশে সাহায্য করবে, ভিটামিন এ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়।
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩।
