সজীব খান
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে এডিসি, ইউএনও, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটরা অবিরাম ছুটে চলছেন। করোনার ঢেউ কমাতে মাঠে-ময়দানে রয়েছেন তারা। করোনা প্রতিরোধের জন্য লকডাউন বাস্তবায়নে দিনরাত কাজ করছেন। মাস্ক ছাড়া ঘর থেকে বের হলেই তাদের জরিমানার আওতায় নিয়ে আসছেন। জেলা প্রশাসকের সুদক্ষ নেতৃত্বে চাঁদপুরে লকডাউন কঠোরভাবে পালন করতে এডিসি, ইউএনও ও ম্যাজিস্ট্রেটরা রয়েছেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাইকে চলার জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন। অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বের হলেই জরিমানা করছেন। যাতায়াতের বিধিনিষেধ দিয়েই যান চলাচল প্রতিরোধ করছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশের এ ক্রান্তিলগ্নে তারা মাঠে রয়েছেন।
চাঁদপুরের সিকি কোটি মানুষকে সুরক্ষা দিতে ও ভাল রাখতে জেলা প্রশাসন অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। করোনার এ ক্লান্তিকালে যেখানে মানুষ ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছে, সেখানে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের সবাই মাঠ মর্যায়ে রয়েছেন।
এখানেই শেষ নয়, চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে এ করোনাকালীন সময়ে মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর উপহার অসহায়, দুস্থ ও কর্মহীনদের জন্য ত্রাণ বাড়ি পৌঁছানোর ব্যবস্থা করছেন। অটো ও সিএনজি চালকদের প্রধানমন্ত্রীর উপহার ত্রাণ দিয়ে যাচ্ছেন। আর সে ত্রাণ পৌঁছাতে সহযোগিতা করছে জেলা প্রশাসনের স্বেচ্ছাসেবক টিম। তারা ও এ যুদ্ধে স্বেচ্ছায় নিজেকে সামিল করে অবিরাম সহযোগিতা করে চলছেন। লকডাউন নিশ্চিতে মোবাইল কোর্ট, ত্রাণ কার্যক্রম, সাহায্য প্রার্থীদের ফোন কল রিসিভ করে তাদের নাম-ঠিকানা এন্ট্রি করে সে অনুযায়ী তাদের বাড়ি বাড়ি সাহায্য পৌঁছে দেয়া সবই অব্যাহত রেখেছেন। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও কর্মহীন মানুষদের তালিকা করে ত্রাণের প্যাকেট করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তা বিতরণ করছেন।
চাঁদপুরের এ অকুতোভয় সৈনিকরা যেন সবসময় সুস্থ থাকে সেজন্য মহান আল্লাহর কাছে সাহায্য চেয়েছেন জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ। তাদের সুস্থতার জন্য একই সাথে চাঁদপুরবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা তিনি চেয়েছেন।
১২ জুলাই, ২০২১।
