চাঁদপুর সদর হাসপাতালে ২৮ মাসে প্রায় ৬ হাজার ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ

এস এম সোহেল
চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগের উদ্যোগে ২৮ মাসে ৫,৭৫৯ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করেছে। ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত ২৮ মাসে এ রক্ত সংগ্রহ করেন চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজি মো. সিরাজুল ইসলাম।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত ২৮ মাসে ৫৭৫৯ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ৩,৯৪৫ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ১,৬৫৪ ব্যাগ। বিভিন্ন সমস্যার কারণে ১৯৯ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়ে যায়।
২০২১ সালের ২,৩৩৫ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১,৬৫৬ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৬৭৯ ব্যাগ। বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৯৪ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। ২০২২ সালের ২,৫৭০ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১,৮০৫ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৭৬৫ ব্যাগ। বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৭৯ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। এছাড়া চলতি বছরের (২০২৩ সালে) জানুয়ারি থেকে এপ্রিল মাসে (৪ মাস) ৮৫৪ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ৪৮৪ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ২১০ ব্যাগ। বিভিন্ন সমস্যার কারণে ২৬ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়।
হাসপাতাল সূত্রে আরো জানা যায়, ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে ২০২ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১৩৬ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৬৬ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৮ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। ফেব্রুয়ারি মাসে ১৮১ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১২১ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৬০ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ১১ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। মার্চ মাসে ২৪৩ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১৬৭ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৭৬ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ১০ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। এপ্রিল মাসে ১৭৮ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১২৯ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৪৯ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৭ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। মে মাসে ১৬৪ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১১৯ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৪৫ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৮ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। জুন মাসে ২২৫ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১৬৭ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৫৮ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৫ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। জুলাই মাসে ১১৫ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ৮৩ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৩২ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৪ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। আগস্ট মাসে ১৩৭ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১০৩ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৩৪ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৫ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। সেপ্টেম্বর মাসে ২৩৭ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১৬৭ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৭০ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৯ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। অক্টোবর মাসে ২১৭ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১৫৭ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৬০ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৮ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। নভেম্বর মাসে ২৩৮ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১৬৫ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৭৩ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৯ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। ডিসেম্বর মাসে ১৯৮ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১৪২ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৫৬ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ১০ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়।
২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে ২১৫ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১৫০ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৬৫ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৭ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। ফেব্রুয়ারি মাসে ২১৭ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১৬৮ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৪৯ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৯ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। মার্চ মাসে ২৮৫ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ২০৫ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৮০ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৮ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। এপ্রিল মাসে ১৩১ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ৯০ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৪১ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৪ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। মে মাসে ২২৯ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১৬৩ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৬৬ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৭ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। জুন মাসে ২৪৫ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১৭৪ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৭১ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ১০ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। জুলাই মাসে ১৮০ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১২৭ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৫৩ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৫ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। আগস্ট মাসে ২৩৪ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১৪৯ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৮৫ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৪ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। সেপ্টেম্বর মাসে ২০৭ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১৪৩ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৬৪ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৬ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। অক্টোবর মাসে ২৩২ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১৬৬ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৬৬ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৭ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। নভেম্বর মাসে ২০৪ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১৩৬ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৬৮ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৭ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। ডিসেম্বর মাসে ১৯১ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১৩৪ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৫৭ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৫ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়।
২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে ২০৩ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১৪৪ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৫৯ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৭ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। ফেব্রুয়ারি মাসে ২০৫ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১৪১ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৬৪ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৫ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। মার্চ মাসে ২৮৬ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন ১৯৯ জন ও আত্মীয়ের মধ্যে রক্তদান করেন ৮৭ ব্যাগ এবং বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৮ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়। এপ্রিল মাসে ১৬০ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। এরমধ্যে বিভিন্ন সমস্যার কারণে ৬ ব্যাগ রক্ত বাতিল হয়।
চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগে রক্তদানের আগে স্ক্রিনিং ও ক্রস-ম্যাচিংসহ পাঁচটি পরীক্ষা করা হয়। যাতে রোগী এবং রক্তদান দাতারা সুষ্ঠু ও নিরাপদে রক্তদান করতে পারে। পাঁচটি পরীক্ষা হলো- এইচআইভি, হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, সিফিলিস এবং ম্যালেরিয়া।
তিনি আরো বলেন, রক্তদান করা মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। রক্তদানের মাধ্যমে একে অপরের প্রতি যেন মমতার বন্ধন সৃষ্টি হয়, সেটিই আমাদের কাম্য। অনেক জীবন বাঁচানোর পাশাপাশি, রক্তদান রক্তদাতাদের ডায়াবেটিস ও ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা কমায়, হার্টকে সুস্থ রাখে এবং কোলস্টেরল কমিয়ে সামগ্রিক সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে। তাই সবাইকে এই রক্তদান অভিযানে অংশ নিতে হবে।
চাঁদপুর জেলা বিএমএ’র সাধারণ সম্পাদক ডা. মাহমুদু নবী মাসুম জানান, একটা সময় ছিলো মানুষ রক্ত দিতে ভয় পেতো, রক্ত দেওয়া অনেক ঝুঁকি ও ক্ষতিকর মনে করতো। পর্যাপ্ত পরিমাণ রক্তের সরবরাহ না থাকায় মানুষ প্রতিনিয়ত রক্তের অভাবে হারাচ্ছে তার প্রিয়জনদের। কিন্তু এখন সেদিক থেকে মানুষ সরে এসেছে, আমরা মানুষকে রক্তদান ক্ষতিকর নয় বরং উপকারী, বিষয়গুলো বুঝানোর চেষ্টা করছি। রক্তের সংকট দূর করতে তরুণ প্রজন্মকে রক্তদানে উৎসাহিত করতে হবে। সবার মাঝে রক্তদানের ভীতি দূর করতে এবং নিয়মিত রক্তদানের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে রক্ত দানে উৎসাহিত করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, রক্ত নিতে হলে ব্লাড ক্রসম্যাচিং করা আবশ্যক। বিধিমালা মোতাবেক রক্ত পরিসঞ্চালন করতে হলে অবশ্যই ক্রসম্যাচিং দরকার। রক্ত দানের আগে স্ক্রিনিং ও ক্রস-ম্যাচিংসহ (এইচআইভি, হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, সিফিলিস এবং ম্যালেরিয়া) পাঁচটি পরীক্ষা করা হয়। যাতে রোগী এবং রক্তদান দাতারা সুষ্ঠু ও নিরাপদে রক্তদান করতে পারে।
নিকট আত্মীয়দের (মা-বাবা, ভাই-বোন ও সন্তান) কাছে রক্ত গ্রহণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সাবেক আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ও চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের লেকচারাল ডা. এএইচএম সুজাউদ্দোলা রুবেল। তিনি বলেন, নিকট আত্মীয়দের কাছ থেকে রক্ত গ্রহণ করলে গ্রাফট ভার্সাস হোস্ট ডিজিজ নামে একটি বিরল রোগ হতে পারে। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর সম্ভবনা ৮০-৯০ শতাংশ। তাই আত্মীয়ের দেয়া রক্ত থেকে বিরত থাকুন।
তিনি আরো বলেন, নিকটাত্মীয়ের (মা-বাবা, ভাই-বোন ও সন্তান) রক্ত পরিসঞ্চালন করা হলে দাতার রক্তের লিম্ফোসাইট রোগী বা গ্রহীতার বিভিন্ন কোষকে আক্রমণ করে, যেমন ত্বক, অস্থিমজ্জা বা রক্তনালি। দাতার লিম্ফোসাইট গ্রহীতার শরীরে প্রবেশের ১০ থেকে ১২ দিনের মাথায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। রক্ত গ্রহীতার শরীরে প্রথমে লাল লাল চাকা ও দানা দেখা দেয়।
ডা. এএইচএম সুজাউদ্দৌলা রুবেল বলেন, চিকিৎসক এবং রোগীরা মনে করেন রক্তদানের পর গরম রক্তই ফ্রেশ ব্লাড। কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। রক্তদানের পর অন্তত ১১-১৪ দিন পর্যন্ত রক্ত ফ্রেশ থাকে বলে জানান তিনি এবং রক্ত ন্যূনতম ২৪ ঘণ্টা ফ্রিজে থাকলে অনেক ব্যাকটেরিয়া, যেমন – সিফিলিস নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। তাই তথাকথিত ফ্রেশ ব্লাড পরিসঞ্চালন থেকে সব ডাক্তার এবং রোগীদের বিরত থাকার জন্য আহ্বান জানান তিনি।

১১ মে, ২০২৩।