ফরিদগঞ্জে বখাটে কর্তৃক মা-মেয়েকে আহত, হাসপাতালে দেখতে গেলেন পুলিশ সুপার

ফরিদগঞ্জ ব্যুরো
বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় ফরিদগঞ্জে বখাটে কর্তৃক ৩ বছরের শিশু কন্যাসহ মা ও মেয়েকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে মাদ্রাসা পড়–য়া ছাত্রীর বাবা মুকবুল হোসেন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। এদিকে বখাটে ওয়াসিমসহ হামলাকারীদের আটক করতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে বলে থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রকিব জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে দৈনিক ইল্শেপাড়ে সংবাদ প্রকাশের পর গতকাল বুধবার সকালে পুলিশ সুপার মো. জিহাদুল কবির ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আহতদের দেখতে আসেন। সেখানে তিনি গুরুতর আহত মা, মাদ্রাসা পড়–য়া ছাত্রী সাথী ও অবুজ শিশু আয়েশার খোঁজ-খবর নেন। তিনি এই বর্বরোচিত হামলার ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থার আশ্বাস দেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সার্বিক নিরাপত্তা দেয়ার জন্য থানার পুলিশকে নির্দেশ দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জাহাঙ্গীর আলম শিপন ও থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুর রকিব।
উল্লেখ্য, ফরিদগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম পোঁয়া গ্রামের দিনমজুর মুকবুল আহম্মদের আলিম পরীক্ষার্থী সাথীকে একই গ্রামের বখাটে ওয়াসীম নানাভাবে দীর্ঘদিন উত্ত্যক্ত করে আসছে। গত কয়েক দিন ধরে সাথীকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে এতে সাথীর বাবা-মা রাজি না হলে গত রোববার রাতে ওয়াসিম তার সন্ত্রাসী বন্ধুদের নিয়ে তাদের বাড়ি ঢুকে ঘরে জানালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে তাদের এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে বাড়ির লোকজন তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। মঙ্গলবার বিকালে তার বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করে।

 

৪ জুলাই, ২০১৯।