বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা ও আদর্শ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জানান দিতে হবে : বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ স্বীকৃতির সভায় ডা. দীপু মনি এমপি

 

এস এম সোহেল :
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেস্কোর ‘মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টার’ এ অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পাওয়ায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আনন্দ শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে চাঁদপুর স্টেডিয়াম থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে হাসান আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রা শেষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি।
তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেস্কোর মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্যের যে স্বীকৃতি পেয়েছে তা শুধু বাঙালিদের একার নয়, সারা বিশ্বের। আজ আমরা এই উদযাপনটি পালন করার জন্য সবাই একত্রিত হয়েছি। হয়তো আমরা এর পুরোপুরী আনন্দ প্রকাশ করতে পারবো না, কিন্তু এর যথাযথ মর্ম বুঝতে পারবো। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু তিনি আমাদের মাঝে সবচেয়ে বড় প্রেরণা হিসেবে ছিলেন এবং আছেন। পরবর্তী প্রজন্মদের বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা ও আদর্শ সম্পর্কে তুলে ধরে তাদের জানাতে হবে।
তিনি আরো বলেন, এক সময় বাংলাদেশ থেকে ৭ই মার্চের ভাষণটিকে স্বাধীনতা বিরোধীরা মুছে ফেলতে চেয়েছিলো। এছাড়া কেউ যদি ৭ই মার্চের ভাষণটি বলবো কিংবা এর কবিতা আবৃত্তি করতো, তাকে কারাগারে যেতো হতো। আমাদের দুর্ভাগ্য সরকার পাল্টে গেলেই ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর সব কিছু পাল্টে ফেলার চেষ্টা চলে। অন্যদিকে সরকারি চাকরিজীবীরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হয়েও ভয়ে কিছু বলতে পারে না। কারণ তারা কিছু বললে তাদের চাকরি থাকবে না। আজ জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় নিজেকে সর্বদা নিয়োজিত রেখেছেন।
জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সবুর মন্ডলের সভাপতিত্বে এবং জেলা কালচারাল অফিসার আবু সালেহ মো. আব্দুল্লাহ ও চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শাহ মো. মাকসুদুল আলমের যৌথ পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার পিপিএম, কেন্দ্রিয় আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদ, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ ওচমান গনি পাটওয়ারী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল, চাঁদপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. এএসএম দেলওয়ার হোসেন, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শরীফ চৌধুরী। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আয়শা আক্তার।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এমএ মতিন মিয়া, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক অ্যাড. জহিরুল ইসলাম, আহসান উল্যাহ আখন্দ, সাংগঠনিক সম্পাদক তাফাজ্জল হোসেন এসডু পাটওয়ারী, অ্যাড. মজিবুর রহমান ভূঁইয়া, সদস্য অ্যাড. জসিম উদ্দিন পাটওয়ারী, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জিএম শাহীন, সহ-সভাপতি সোহেল রুশদী, পৌর আ.লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাধা গোবিন্দ ঘোষ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান বাবুল, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী এরশাদ মিয়াজী, পৌরসভার প্যানেল মেয়র ছিদ্দিকুর রহমান ঢালী, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অ্যাড. জাহিদুল ইসলাম রোমান ও শেখ মো. মোতালেব, বর্তমান সভাপতি আতাউর রহমান পারভেজসহ জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, আওয়ামী লীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।