বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো স্বীকৃতি দেয়ায় জেলা প্রশাসনের ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ

এস এম সোহেল :
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য (ওয়ার্ল্ডস ডকুমেন্টারি হেরিটেজ) হিসেবে ইউনেস্কো স্বীকৃতি দেয়ায় আগামি ২৫ নভেম্বর সারা দেশের মতো চাঁদপুরেও ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে জেলা প্রশাসন। এ উপলক্ষে গতকাল বুধবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে টেলি কনফারেন্সের মাধ্যমে দিক নির্দেশনা প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) ও অতিরিক্ত সচিব মো. কবির বিন-আনোয়ার। তিনি দেশের সব বিভাগীয় কমিশনার, ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের সাথে অনুষ্ঠানসূচি নিয়ে মতবিনিময় করেন।
তিনি তার দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্যে বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ পৃথিবীর ইতিহাসের শ্রেষ্ঠতম ভাষণ হিসেবে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্কো) ঐতিহাসিক এই ভাষণকে ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারের মেমোরিতে অন্তর্ভুক্ত করায় বাঙালি জাতি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।
তিনি আরো বলেন, এই ভাষণ ছিল বাঙালি জাতির অনুপ্রেরণার উৎস। শুধু তাই নয় এই ভাষণ বিশ্বের নির্যাতিত নিপীড়িত, মুক্তিকামী, স্বাধীনতাকামী মানুষের প্রেরণার উৎস হয়ে আজীবন থাকবে।
টেলি কনফারেন্সের আগে জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সবুর মন্ডলের সভাপতিত্বে ২৫ নভেম্বরের কর্মসূচির ব্যাপারে ব্যাপক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার শামছুন্নাহার পিপিএম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ ওসমান গণি পাটওয়ারী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সস্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার এমএ ওয়াদুদ, সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ড. এএসএম দেলওয়ার হোসেন, প্রেসক্লাব সভাপতি শরিফ চৌধুরী, সাধারন সস্পাদক জি এম শাহিন, পুরাণবাজার কলেজের অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার, চাঁদপুর বার্তার ভারপ্রাপ্ত সস্পাদক শহীদ পাটওয়ারী। এসময় সব উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- আগামি ২৫ নভেম্বর সকাল ১০টায় আউটার স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণ থেকে আনন্দ র‌্যালি, হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আলোচনা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণের উপর বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন এবং পূর্ণ দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ওরা এগারোজন’ প্রর্দশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হবে।