বাগাদীতে ডাকাতিয়ার ভাঙন স্থায়ীভাবে রক্ষাকল্পে দীর্ঘ পরিকল্পনা

স্টাফ রিপোর্টার
চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইসলামপুর গাছতলা গ্রামে ডাকাতিয়ার ভাঙনকৃত স্থান পরিদর্শন করা হয়।
শনিবার (৩ জুলাই) সকালে ভাঙন স্থান পরিদর্শন করেন চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম রেফাত জামিল, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. নকিব আল হাসান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর হোসেন, চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান, বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি ও বাগাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ বেলায়েত হোসেন গাজী বিল্লাল, ইউপি সদস্য জাকির খানসহ এলাকার ২ শতাধিক লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ডাকাতিয়া নদীর ভাঙনের মুখে প্রায় ২ শতাধিক পরিবার হুমকির মুখে রয়েছে। গত ৫ বছরে ডাকাতিয়ার ভাঙনে প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি পরিবারের বসত ভিটি, বাগান, বিভিন্ন প্রজাতির গাছ ও প্রায় ১৫ একর আবাদি জমি ডাকাতিয়ায় বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে হুমকির মুখে থাকা বাড়ি গুলো যে কোনো সময় ডাকাতিয়া নদী গ্রাস করতে পারে। আর এসব বাড়িগুলো হচ্ছে ঃ খান বাড়ি, গাজী বাড়ি, ডিলার বাড়ি ও জমাদ্দার বাড়ি।
পরিদর্শনে এসে চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম রেফাত জামিল বলেন, স্থায়ী ভাবে ভাঙ্গন রক্ষাকল্পে দীর্ঘ পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে ভাঙন রক্ষা করতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। বরাদ্দ এলেই প্রাথমিকভাবে কাজ করা হবে।
চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান বলেন, ভাঙন রোধে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপির সাথে যোগাযোগ করবো। যাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায় এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীকে অনুরোধ করেন বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখার জন্য।
বাগাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ বেলায়েত হোসেন গাজী বিল্লাল বলেন, দীর্ঘদিন যাবত ইসলামপুর গ্রামটি ডাকাতিয়া নদীতে ভেঙে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি পরিবারের বসতভিটি ডাকাতিয়ায় বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে প্রায় ২ শতাধিক পরিবার হুমকির মুখে রয়েছে। ভাঙনকৃত স্থান দ্রুত রক্ষা না করলে যে কোনো সময় বাড়ি-ঘর বিলীন হয়ে কেয়ারের সড়ক বিলীন হয়ে যেতে পারে। ভাঙন রক্ষাকল্পে চাঁদপুরের কৃতী সন্তান শিক্ষামন্ত্রীকে অবহিত করবো।

০৪ জুলাই, ২০২১।