স্টাফ রিপোর্টার
ইলিশ মাছ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার প্রতিবছর মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে লক্ষ্মীপুর জেলার চর আলেকজান্ডার পর্যন্ত একশ’ কিলোমিটার চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর থেকে শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার তারাবুনিয়া থেকে নড়িয়া উপজেলার ভোমকারা পর্যন্ত পদ্মা নদীর ২০ কিলোমিটারসহ মোট ৫ টি অভয়াশ্রম অঞ্চলের ৪শ’ কিলোমিটার নদী অঞ্চলে মার্চ-এপ্রিল দু’মাস অভয়শ্রম ঘোষণা করে সব প্রকার জাল ফেলা ও মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। কিন্তু এ নিষেধের ফলেও কিছু কিছু অসাধু জেলে নদীতে জাল ফেলে জাটকা মাছ নিধন করছে। তার মধ্যে চাঁদপুর সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের লালপুর, পাঠান বাড়ির খালপাড় দিয়ে প্রতিদিন শত-শত কেজি জাটকা জেলেরা বিক্রি করে। অনেকেই জেলেদের কাছ থেকে জাটকা মাছ কিনে গ্রামে-গ্রামে ফেরি করে বিক্রি করছে।
গত ১৭ এপ্রিল সরেজমিনে দেখা যায়, বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মমতাজ বকাউলের ছেলে খোরশেদ বকাউল কল্যাণপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে ফেরি করে জাটকা মাছ বিক্রি করছে। তার মত অনেকেই এভাবে শত-শত কেজি জাটকা মাছ বিক্রি করে।
সচেতন মহলের দাবি যারা ফেরি করে জাটকা মাছ বিক্রি করে তাদের চিহ্নিত করে জাটকা মাছ বিক্রি বন্ধ করতে হবে। তারা কারো কাছে মাছ বিক্রি করতে না পারলে নদীতে মাছ ধরতে যাবে না। তারা আরও বলেন, ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিলে কিছুটা হলেও জাটকা মাছ নিধন বন্ধ হবে।
১৮ এপ্রিল, ২০২০।
