মান্দারীতে আইজিপি’র মসজিদ উদ্বোধন

দেশ থেকে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস নির্মূল করবোই
……আইজিপি ড. জাবেদ পাটওয়ারী

শওকত আলী
চাঁদপুরের কৃতী সন্তান ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বিপিএম (বার) বলেছেন, আপনার সন্তান যেন মাদকের সংস্পর্শে না আসে সেদিকে নজর রাখতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছি। আপনাদের সবার সহযোগিতা থাকলে মাদক এ দেশ থেকে নির্মূল করবোই এবং মাদক নির্মূল করা সম্ভব হবে। আপনার সন্তানকে মাদকের হাত থেকে দূরে রাখার দায়িত্ব আপনার। এ দেশ থেকে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস নির্মূল করবোই। তাহলে দেশের আরো উন্নয়ন হবে বলে কামনা করছি। মহান আল্লাহ্ তাকে দেশবাসী ও দেশের সেবার সুযোগ করে দিয়েছেন সেজন্য খোদার কাছে শুকরিয়া আদায় করে তিনি।
তিনি আরো বলেন, আল্লাহ্ কাছে শুকরিয়া এলাকাবাসী জমিদান ও মসজিদ নির্মাণে সব প্রকার সহযোগিতা করায় একটি মসজিদ নির্মাণ করতে পেরেছি। এটি আপনাদের মসজিদ, আপনারা দেখে শুনে রাখবেন। এ মসজিদটি আপনাদের আমানত। এ মসজিদের সাথে থাকলে এলাকাবাসী ধর্মীয় কাজে ধাবিত হবে। এ এলাকার ছোট-ছোট শিশুরা এখানে আসলে লেখাপড়া করার সুযোগ পাবে।
তিনি এলাকাবাসীর উদ্দেশে বলেন, এক সময় এ এলাকার রাস্তা-ঘাট ছিল না। নৌকা দিয়ে এখান থেকে গিয়ে পড়াশুনা করতে হতো। তখন শিক্ষার তেমন ব্যবস্থা ছিল না। আজ যে পরিবর্তন হয়েছে তা’ অসাধারণ পরিবর্তন। এখন এলাকায় শিক্ষার অনেক উন্নয়ন হয়েছে। লেখাপড়ার সুযোগ এখন ঘরে-ঘরে হচ্ছে।
গত শুক্রবার বাদজুমা চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের মান্দারী গ্রামের নিজ বাড়ির সামনে নবনির্মিত বাইতুল মা’মুর জামে মসজিদের উদ্বোধনকালে এ কথাগুলো বলেন ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. জিহাদুল কবির, আইজিপি’র স্টাফ অফিসার এসপি মো. মাসুদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. জাহেদ পারভেজ চৌধুরী, চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নাসিম উদ্দিন, ডিবি ওসি মো. নূর হোসেন মামুনসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ শত-শত ধর্মপ্রাণ মুসলমান।
পরে বাইতুল মা’মুর জামে মসজিদের উদ্বোধন উপলক্ষে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা করা হয়। মিলাদ মাহফিলে আল্লাহ্ দরবারে দেশ ও ইসলামে খেদমত করার জন্য সুযোগ চাওয়া হয়। এছাড়া আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীর বাবা-মায়ের রুহের মাগফেরাত এবং তার দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া করা হয়। সবশেষ নবীজির রওজা জেয়ারতের জন্য খোদার কাছে সুযোগ চাওয়া হয়।
মিলাদ মাহফিল ও দোয়ার অনুষ্ঠানে মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের পেশ ইমাম ও মহামায়া আয়শা ছিদ্দিকা মহিলা মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা হাফেজ মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন।

২১ জুলাই, ২০১৯।