
চাঁদপুর মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা কমিটির সভা
স্টাফ রিপোর্টার :
চাঁদপুর মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা-২০১৭-এর পূর্ণাঙ্গ উদযাপন কমিটি ও বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠনকল্পে গতকাল শনিবার বিকেলে উদ্যাপন পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। চাঁদপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মিলনায়তনে সভায় সভাপতিত্ব করেন স্টিয়ারিং কমিটির সভাপতি ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা এম এ ওয়াদুদ।
তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় যারা বিশ্বাসী তাদের নিয়েই মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা। ১৯৯২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ২৫ বছরেও মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলায় স্বাধীনতার শত্রু জামাত-শিবিরকে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি, ভবিষ্যতেও দেয়া হবে না।
স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য অ্যাড. বদিউজ্জামান কিরনের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন উদযাপন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মহাসীন পাঠান, মহাসচিব হারুন-আল-রশীদ, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ডা. সৈয়দা বদরুন নাহার চৌধুরী, উদ্যাপন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাড. জহিরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম বরকন্দাজ, মুক্তিযোদ্ধা অজিত সাহা, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ তাফাজ্জল হোসেন এসডু পাটওয়ারী, বিজয় মেলা কমিটির সাবেক মহাসচিব শহীদ পাটোয়ারী, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শরীফ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক জি এম শাহীন, সাবেক সভাপতি বিএম হান্নান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রহিম বাদশা, সোহেল রুশদী, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জাহিদুল ইসলাম রোমান, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি জাফর ইকবাল মুন্না, দৈনিক আলোকিত চাঁদপুরের সম্পাদক ও প্রকাশক জাকির হোসেন, দৈনিক মতলবের আলোর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কে এম মাসুদ প্রমুখ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা এসএম সালাউদ্দিন, ব্যাংকার মজিবুর রহমান, চাঁদপুর সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক ইয়াহিয়া কিরণ, জেলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সাধারণ সম্পাদক সুফী খায়রুল আলম খোকন, মেঘনা থিয়েটারের সভাপতি তবিবুর রহমান রিংকু, চাঁদপুর লেখক ফোরামের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন, সাংবাদিক এমআর ইসলাম বাবু, মানিক দাস, বাদল মজুমদার, মুহাম্মদ আলমগীর, আব্দুস সেবাহান রানা, অভিজিৎ রায়, কামরুল ইসলাম, এসএম সোহেল, আশিক বিন রহিম, মাজহারুল ইসলাম অনিক, সাংস্কৃতিক কর্মী রাজীব চৌধুরী, বাতেন হোসেন, মেহেদী আহসান জীবন, আমির হোসেন বাপ্পী, দিদারুল আলম, বাপ্পী চৌধুরী, আলী আফসার বাবু, রিপন কর্মকার, রঞ্জন সূত্রধর প্রমুখ।
সভায় পূর্ণাঙ্গ উদযাপন পরিষদ ও বিভিন্ন উপ-পরিষদের আহ্বায়ক, সদস্য সচিবসহ সদস্যদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা করা হয় এবং বেশ কিছু উপ-কমিটি গঠন করা হয়।