মৈশাদীতে চাষকৃত কলার বাগান কর্তন


সজীব খান
চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে বশা ডাক্তার বাড়ি সংলগ্ন রহিম জমাদারের চাষকৃত কলার বাগান কর্তন করা অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাটি মৈশাদীর সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, মৈশাদীর ৪নং ওয়ার্ডের মৃত হালিম জমাদারের ছেলে মো. রহিম জমাদার ৩নং ওয়ার্ডের বশা ডাক্তার বাড়ি সংলগ্ন মৃত কাদের খানের ছেলে নাজমুল হক জাহাঙ্গীর ৯৩ শতাংশ জমিতে দীর্ঘ ১৫ বছর যাবৎ পোশানী নিয়ে কলার চাষ করে আসছে। জাহাঙ্গীর হোসেনকে রহিম জমাদার ২ বছর পর-পর জাহাঙ্গীরের চাহিদা অনুযায়ী পোশানী বাবদ ১০ হাজার টাকা দেয়। রহিম জমাদারের সাথে কোন প্রকার যোগাযোগ না করেই গত শনিবার দুুপুরে জাহাঙ্গীর জমিতে গিয়ে দেড় শতাধিক কলার ছড়াসহ গাছ কাটতে থাকে। এতে রহিমের দেড় থেকে ২ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে সংবাদকর্মীকে জানানো হয়। ঘটনার দিন দুপুর ২টা দিকে রহিম জমাদার খবর পেয়ে জমিতে গিয়ে কলা ছড়াসহ গাছ কাটায় বাঁধা দিলে জাহঙ্গীর তার সাথে উত্তেজিত হয়ে খারাপ ব্যবহার করে। এ ঘটনায় এলাকার সর্বমহলে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
রহিম জমাদার জানান, জাহাঙ্গীরের সাথে জমি নিয়ে সমস্যার কথা ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক, ওয়ার্ড মেম্বার বজলুল গনি জিলনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানানো হয়েছে। রমজানের ঈদের পর জাহাঙ্গীরের সাথে আমারা সমস্যা চেয়ারম্যানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সমাধানের উদ্যোগ নিলেও জাহাঙ্গীরের কারণে শেষ পর্যন্ত সমস্যাটি সমাধানের আলোর মুখ দেখেনি।
রহিম জানান, এনজিওসহ বিভিন্ন স্থান থেকে ধার-দেনা করে এ কলার বাগানটি তিনি চাষাবাদ করে আসছে। এ ঘটনায় তিনি একেবারেই নিঃস্ব হয়ে গেছেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীরের ব্যবহৃত ০১৯১৪৮৮৭৬৭৮ নম্বরে কয়েকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

০৫ আগস্ট, ২০১৯।