সজীব খান
অনিয়ন্ত্রিত লোডশেডিংয়ে নাকাল হয়ে পড়েছে চাঁদপুরের জনজীবন। তীব্র দাবদাহের কারণে চলতি রমজানে অতিমাত্রায় বেড়ে গেছে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং। শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং লেগেই আছে।
এদিকে প্রচ- গরমে বিদ্যুৎহীন গ্রাম ও নগরবাসীকে পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি। গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছে শিশুরা। ঘেমে জ্বর-কাশিসহ ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে তারা। বাদ যাচ্ছে না বয়স্করাও। বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। রোদ ও ভ্যাপসা গরমে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে সাধারণ মানুষ। বিদ্যুতের কোনো কোনো গ্রাহক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়াও জানাচ্ছেন।
লোডশেডিংয়ের কারণে চাঁদপুরে হিমাগারের রাখা পণ্যের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। চাঁদপুরে চিকিৎসা, শিক্ষা, শিল্প কল-কারখানা ও কৃষিতে নেমে এসেছে বিপর্যয়। চাঁদপুরে লোডশেডিংয়ের কারণে ভোগান্তির মধ্যে আছে মানুষ। কল-কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
চাঁদপুরে বিদ্যুৎ গ্রাহকরা বলেন, সারাদিনে কতবার বিদ্যুৎ যায়, তার হিসাব নেই। ইফতার এবং সাহরির সময়ে যখন বিদ্যুৎ চলে যায়, তখন এ গরমে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। গত কয়েকদিন হঠাৎ করে দিনে-রাতে কয়েকবার করে লোডশেডিং হচ্ছে। গরমের কারণে ঠিকমতো ঘুম আসে না। বাচ্চাটার ঠিকমতো পড়াশোনাও হচ্ছে না।
চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জেনারেল ম্যানেজার দেব কুমার মালো জানান, বর্তমানে গরম বেড়ে গেছে, তাপমাত্রা বেড়ে চলছে। সারা দেশে গরমের প্রকোপ বেড়ে গেছে। চাঁদপুরে বিদ্যুতের চাহিদা ৯০ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৫০ মেগাওয়াট, অর্থাৎ চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ কম পাওয়া যাচ্ছে। গরম বেড়ে যাওয়ার কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাচ্ছে। বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যুতের চাহিদা বড়বে, লোডশেডিং থাকবে।
১৭ এপ্রিল, ২০২৩।
