
বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে জাতিকে মেধাশূন্য করতে চেয়েছিলো
……………….. মো. মাজেদুর রহমান খান
স্টাফ রিপোর্টার
শহীদ বুদ্ধিজীবী হত্যা দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় বিজয় মেলা মঞ্চে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খান।
তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, জাতির মাহেন্দ্রক্ষণে আমরা আজ দাঁড়িয়ে আছি। বিজয় দিবসের আর ২ দিন বাকি রয়েছে। পাকিস্তানিরা ১৯৭১ সালে বুঝেছিল তাদের সময় শেষ হয়ে এসেছে। আর তখনই তারা এদেশকে মেধাশূন্য করতে শিক্ষক, ডাক্তার, সাংবাদিক ও পেশাজীবীসহ বুদ্ধিজীবীদের নামের তালিকা করতে থাকে। একাত্তর সালের ১৪ ডিসেম্বর তারা বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। এই জাতিকে মেধাশূন্য করতে চেয়েছে।
তিনি বক্তব্যে আরো বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে গ্রাম-গঞ্জের সাধারণ মানুষ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে জেগে উঠেছিল। তারা মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে দেশকে শত্রুমুক্ত করেছে। পাকিস্তানিরা বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে আজকের দিনে তাদের হত্যা করে রায়ের বাজার বদ্ধভূমিতে ফেলে রাখে। এদেশের পতাকার উপর স্বাধীনতার পরও অনেক আঘাত হেনেছে। জাতির পিতার সে স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠিত করতে যারা জীবন দিল তাদের ঋণ শোধ করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন। প্রতিটি কাজের ও ক্ষণের মধ্যে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর ভিশন সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা হচ্ছে। আসুন এ ক্ষণগুলো আনাচে-কানাচে মাদক ও জীিবাদ নিয়ে দেশকে ধ্বংস করতে যারা চাইছে তাদের নির্মূল করে সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করি।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস এম জাকারিয়ার সভাপতিত্বে এবং বিশিষ্ট লেখক ডা. পীযুষ কান্তি বড়ুয়ার পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল, চাঁদপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. এএসএম দেলওয়ার হোসেন, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত ডা. সৈয়দা বদরুন নাহার চৌধুরী, বাবুরহাট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোশারেফ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা মহসিন পাঠান, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাফাজ্জল হোসেন পাটওয়ারী এসডু, বিজয় মেলার চেয়ারম্যান অ্যাড. বদিউজ্জামান কিরন, চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক কাজী শাহাদাত, জেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান টুটুল প্রমুখ।
আলোচনা সভার আগে বিজয় মঞ্চের সামনে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করা হয়।
