সাংবাদিক শাহ মোহাম্মদ মাকসুদুল আলমের জীবনবৃত্তান্ত

স্টাফ রিপোর্টার
সাংবাদিক শাহ মোহাম্মদ মাকসুদুল আলম ১৯৬৮ সালের ১০ মে চাঁদপুর শহরের তালতলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা মরহুম শাহ মোহাম্মদ হাছান (বাচ্চু মিয়া)। শাহ মোহাম্মদ মাকসুদ ছাত্র অবস্থাতেই সাংবাদিকতা শুরু করেন। একসময় তিনি এটাকেই একমাত্র পেশা হিসেবে নিয়ে নেন। ১৯৯১ সালে তিনি দৈনিক সংবাদে নিজস্ব সংবাদদাতা হিসেবে কাজ করেন। পরবর্তীতে তিনি এ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি একাধিক জাতীয় পত্রিকায় কাজ করেন।
তিনি ৮ বছর একুশে টেলিভিশনের চাঁদপুরস্থ স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে যমুনা টিভির জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
এছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে ২০০১ সালে তাঁর সম্পাদনায় প্রথম ‘দৈনিক চাঁদপুর প্রবাহ’ পত্রিকা প্রকাশিত হয়। এরপর তিনি ‘দৈনিক আমার চাঁদপুর’ পত্রিকা প্রকাশ করে প্রকাশক ও সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি প্রেসক্লাবের নীতিনির্ধারণীরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। সরকারি ও বেসরকারিভাবে ভারত ও মিয়ানমার সফর করেছেন তিনি। একজন প্রতিভাবান সাংবাদিক, ভালো উপস্থাপক ও সুবক্তা হিসেবেও তাঁর স্বীকৃতি রয়েছে। ১৯৮৩ সালে ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত উপস্থিত বক্তৃতায় প্রথম হয়ে তৎকালীন কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের দেয়া সংবর্ধনা ও স্বর্ণপদক লাভ করেন সাংবাদিক শাহ মোহাম্মদ মাকসুদুল আলম। ছোট গল্প একাংকিকা লিখেও তিনি সরকারিভাবে বহু পুরস্কার লাভ করেছেন। তাঁর অসংখ্য লেখা বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
তিনি একুশে টেলিভিশনের বেশ কয়েকটি টক-শোতে অংশ নিয়েছেন। শাহ মাকসুদ দেশ ও বিদেশের বহু খ্যাতিমান সাংবাদিক, লেখক, কবি, রাজনীতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন।
এদিকে শাহ মোহাম্মদ মাকসুদুল আলমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক ও চাঁদপুর পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী অ্যাড. জিল্লুর রহমান জুয়েল, প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গিয়াস উদ্দিন মিলন, সাধারণ সম্পাদক এইচএম আহসান উল্লাহসহ নেতৃবৃন্দ। তাঁর মৃত্যুতে ৪ দিনের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে চাঁদপুর প্রেসক্লাব।
১ অক্টোবর, ২০২০।