হাইমচরে ইউএনও’র হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেলো ৯ম শ্রেণির ছাত্রী

হাইমচর ব্যুরো
হাইমচরে ইউএনও’র হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে থেকে মুক্তি পেল ৯ম শ্রেণি পড়ুয়া এক ছাত্রী। বাল্যবিয়ে থেকে মুক্তি পাওয়া ছাত্রী আলগী উত্তর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের খলিল গাজির মেয়ে বাজাপ্তী রমনিমহন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী।
গত শুক্রবার সকালে বাল্যবিয়ের গোপন সংবাদ পান হাইমচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার চাই থোয়াইহলা চৌধুরী। পরে বিষয়টি তিনি আলগী দুর্গাপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আতিকুর রহমান পাটওয়ারীকে জানান। ইউপি চেয়ারম্যান প্রথমে গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে খলিল গাজিকে মেয়েকে বিয়ে না দেওয়ার জন্য বলেন। পরে বেলা ১২ টায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ৯ম শ্রেণির স্কুল পড়ুয়া ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার চাই থোয়াইহলা চৌধুরী বলেন, আমি বিষয়টি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরে তাৎক্ষণিক আমি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে জানাই। চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য এবং গ্রাম পুলিশ গিয়ে বাল্য বিবাহটি বন্ধ করে দেয়।
এ ব্যাপারে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আতিকুর রহমান পাটওয়ারী বলেন, এই বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমাকে জানালে আমি প্রথমে ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশ পাঠাই। পরে আমি নিজেই সেখানে যাই এবং ওর বাবা-মা ও এলাকার মুরব্বিদের নিয়ে বাল্য বিবাহটি বন্ধ করি। ওর বাবা-মা আমাকে আশ্বস্ত করেন যে মেয়ের প্রাপ্তবয়স না হওয়া পর্যন্ত বিবাহ দিবে না। এখন থেকে এই মেয়েটি প্রতিদিন স্কুলে যাবে।

০৩ এপ্রিল, ২০২২।