হাইমচর মধ্যচরে ২০ একর জমিতে নতুন গ্রামের উদ্বোধন

 

সাহেদ হোসেন দিপু
হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নের ডিআরআর বাজার সংলগ্ন মধ্য চরে ২০ একর জমির উপর নদী ভাঙন কবলিত ভিটে-মাটি হারা প্রায় ২শ’ পরিবারের জন্য মালের কান্দি নামে নতুন গ্রামের উদ্বোধন করা হয়েছে। মালের হাট যুব সংঘের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক রফিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে নির্মিত গ্রামের উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নূর হোসেন পাটওয়ারী।
তিনি তার বক্তব্যে বলেন, চরকুল আর দেশকুল নামে আলোচনা ছিল। আমাদের অনেক প্রচেষ্টার পরে এ প্রথাটি বিলুপ্তি হয়েছে। এখন আর উপজেলায় দেশকুল-চরকুল নামে কোন প্রথা নেই। এখন আমরা সবাই একই মানুষ, আমাদের মাঝে কোন ভেদাভেদ নাই। ডা. দীপু মনি এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে আমাদের হাইমচরের উন্নয়ন নিয়ে ভেবে গেছেন। তার চিন্তা-ভাবনায় আজ হাইমচরের যেদিকে তাকাই সেদিকেই উন্নয়ন আর উন্নয়ন। এ চরাঞ্চলেও বিদ্যুৎ এসে পৌঁছেছে। চরাঞ্চলের মাঝে বিদ্যুৎ প্রদান করে প্রমাণ হয়েছে আওয়ামী লীগ কর্মীরা যা বলে তা বাস্তবায়ন করে। এ চরে অর্থনৈতিক অঞ্চল হলে আপনাদের চাকরি ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। আপনার পরিবারের সদস্যদের চাকরি হলে পরিবারে অভাব থাকবে না। এ গ্রামে অচিরেই ২টি গভীর নলকূপ স্থাপন করা হবে। আপনাদের বিশুদ্ধ পানি অভাব থাকবে না। এছাড়া এ কান্দিতে সরকারের উন্নয়নের সব সেবা পৌঁছিয়ে দেয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, রফিক নিজ উদ্যোগে নদী ভাংতি মানুষের থাকার চিন্তা করে যে নতুন গ্রামটি নির্মাণ করেছেন তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। রফিক মাল চরাঞ্চলের মানুষজনের পাশে দাড়িয়েছেন, আমরাও সরকারের উন্নয়ন নিয়ে গ্রামবাসীর পাশে থাকবো। ডা. দীপু মনির নেতৃত্বে এ গ্রামকে একটি আদর্শ গ্রাম হিসেবে রুপান্তরিত করবো।
সম্প্রতি নতুন মালের কান্দি গ্রামের প্রতিষ্ঠাতা ও মালের হাট যুব সংঘের নির্বাহী পরিচালক রফিক মালের সভাপতিত্বে এবং যুবলীগ নেতা ফারুক মাঝির পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজান মিয়া, নীলকমল ইউপি চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন সরদার, হাইমচর কলেজ অধ্যক্ষ মানোয়ার হোসেন মোল্লাহ, হাইমচর ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদাত সরকার, হাইমচর প্রেসক্লাব সভাপতি খোরশেদ আলম।
বক্তব্য রাখেন মাল পরিবারের সদস্য সাইফুল ইসলাম সেলিম, ইউপি সদস্য হারুনুর রশিদ মাল, আবুল হোসেন মাল, আওয়ামী লীগ নেতা সানাউল্লাহ পেদা, গ্রামের পক্ষে হাবিব মাল, মজিব ঢালী, সেকান্তর মাল প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে গ্রামবাসীর মাঝে প্লট বরাদ্দের কাগজ হস্তান্তর করেন অতিথিবৃন্দ।
১১ মার্চ, ২০২১।