মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্
হাজীগঞ্জের কৃতী সন্তান, পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. জোবায়েদুর রহমান পলাশের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বাদ আছর উপজেলার বাকিলা ইউনিয়নের ছয়ছিলা গ্রামের মাস্টার বাড়ির সামনে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
এর আগে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনে জোবায়েদুর রহমানের প্রথম জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। গত বুধবার দুপুরে রাজধানীর নিজ বাসায় স্ট্রোকজনিত কারণে ইন্তেকাল করেন জোবায়েদুর রহমান পলাশ। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই মেয়েসহ বহু আত্মীয়-স্বজন ও সহকর্মী রেখে গেছেন।
তিনি সাবেক সংসদ সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা মরহুম অ্যাড. আবু জাফর মুহাম্মদ মঈনুদ্দিনের বড় ছেলে, সংরক্ষিত আসনের প্রাক্তন নারী সংসদ সদস্য (চাঁদপুর-লক্ষীপুর) অ্যাড. নূরজাহান বেগম মুক্তার ভাই। তিনি ২০তম বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার পদে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন।
বৃহস্পতিবার নিজ বাড়িতে অনুষ্ঠিত জানাযার আগে মরহুম জোবায়েদুর রহমান পলাশকে গার্ড অব অনার প্রদান ও পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তাকে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। জানাযায় কয়েক হাজার মুসল্লিসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ ও আইনজীবিসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।
এর মধ্যে পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাজীগঞ্জ-ফরিদগঞ্জ সার্কেল) পংকজ কুমার দে, ডিআইও-১ মোহাম্মদ রাশেদ মোবারক, হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া বিএনপির কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি বিএনপির প্রধান সমন্বয়ক ইঞ্জি. মমিনুল হক, দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক, চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতি ও চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাড. ইকবাল বিন বাসার, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক অ্যাড. জহিরুল ইসলাম, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল হোসেন মজুমদারসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া মরহুমের ছোট ভাই আলতাফ রহমান বাবলু, মরহুমের মামা ড. নেয়ামুল বসির, অ্যাড. সেলিম আকবর, ইমাম হোসেন টিটু, বাকিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিলান, ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার আবদুর রব খোকনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
১০ নভেম্বর, ২০২৪।
