হাজীগঞ্জে করোনা উপসর্গে নিহতদের দাফন করলো ইসলামী আন্দোলনের স্বেচ্ছাসেবকরা

মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্
হাজীগঞ্জে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) উপসর্গ নিয়ে নিহত ৪ জনের দাফন সম্পন্ন করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবক টিমের সদস্যরা। রোববার (৩১ মে) বিকালে থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত নিহতদের লাশ ধোঁয়া এবং জানাজাসহ দাফনের সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন তারা।
এর আগে এদিন মাত্র আট ঘণ্টার ব্যবধানে করোনা উপসর্গে ৪ জন মারা যান। তারা হলেন- পৌর মকিমাবাদ এলাকার মো. আব্দুল কাদের (৬৫), খাটরা-বিলওয়াই এলাকার মো. রফিকুল ইসলাম (৫৫) ও মকিমাবাদ এলাকার মো. আবুল কাশেম (৪৮) এবং বাকিলা ইউনিয়নের সাতবাড়িয়া গ্রামের মোস্তফা কামাল (৬০)।
এর মধ্যে মোস্তফা কামাল ও আব্দুল কাদের চাঁদপুর সদর হাসাপাতালে করোনা ইউনিটে (আইসোলেশন) মারা যান। আবুল কাশেম হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং রফিকুল ইসলাম নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন।
তাদের দাফনে টিম প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি চাঁদপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদব মাও. যোবায়ের আহমাদ। উপস্থিত ছিলেন জেলা ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মাও. আনোয়ার আল নোমান।
টিম সমন্বয়কারী হিসাবে ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাজীগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হা. শাহাদাত হোসাইন প্রধানীয়া। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন সুমন মোল্লা, মুফতি শরিফুল ইসলাম, কামাল গাজি, সাদ্দাম হোসেন, মাও. শরাফত উল্লাহ, আব্দুল্লাহ, শরিফ মাস্টার ও রুহুল আমিন।
জানা গেছে, জেলার কোথাও করোনা আক্রান্ত হয়ে বা করোনা সন্দেহে কেউ মারা গেলে, প্রশাসন বা তাদের পরিবারের ফোন পেলেই ইসলামী রীতি অনুযায়ী মৃতদেহের গোসল, কবর খনন এবং জানাজাসহ দাফনের সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবক টিমের সদস্যরা।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীরের আহ্বানে জেলার প্রতিটি উপজেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে বা করোনা সন্দেহে নিহতদের দাফনে স্বেচ্ছাসেবক কমিটি করা হয়। এই কমিটির সার্বিক তদারকি করেন জেলা মনিটরিং সেল। তাদের মাধ্যমে জেলায় এ পর্যন্ত নিহত ২২ জনের দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।

০১ জুন, ২০২০।