মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্
হাজীগঞ্জে মো. জাকির হোসেন মিয়াজী ও মো. গোলাম মোস্তফা খানসহ দুইজন ব্যবসায়ীকে এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদ- দিয়েছেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। গত রোববার নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ এর ধারা অনুয়ায়ী এ রায় প্রদান করেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ কামাল হোসাইন।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- হাজীগঞ্জ বাজারস্থ বসুন্ধরা চাইনিজ হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী মো. জাকির হোসেন মিয়াজী ও উপজেলার হাটিলা পশ্চিম ইউনিয়নের খাঁন ভ্যারাইটিজ স্টোরের স্বত্বাধিকারী মো. গোলাম মোস্তফা খাঁন। তাদের বিরুদ্ধে নিরাপদ খাদ্য আইনে মামলা দায়ের করেন উপজেলা স্যানেটারী ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক সামছুল ইসলাম রজিম।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ কামাল হোসেন বসুন্ধরা চাইনিজ হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে নোংরা, স্যাঁতস্যাঁতে ও অপরিস্কার পরিবেশে খাদ্য প্রস্তত, ঢাকনাবিহীন অবস্থায় খাদ্য সংরক্ষণ এবং ফ্রিজে দুর্গন্ধযুক্ত খাদ্য দেখতে পান। এরপর প্রতিষ্ঠানের মালিকের বিরুদ্ধে নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ এর ৩৩ ধারা অনুযায়ী নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।
অপরদিকে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য মজুদ, সংরক্ষণ ও বিক্রয়ের অপরাধে উপজেলার হাটিলা পশ্চিম ইউনিয়নের পাতানিশ বাজারের মুদি মালামালের ব্যবসায়ী, খাঁন ভ্যারাইটিজ স্টোরের সত্ত্বাধীকারী মো. গোলাম মোস্তফা খাঁনের বিরুদ্ধে নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ এর ২৯ ও ৩৯ ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করেন সামছুল ইসলাম রমিজ।
মামলা দুইটির প্রায় ১৬ মাস বিচারিক কার্যক্রম শেষে গত ১৩ মার্চ (রোববার) মো. জাকির হোসেন মিয়াজী ও মো. গোলাম মোস্তফা খাঁনকে এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ কামাল হোসাইন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, হাজীগঞ্জ উপজেলা স্যানেটারী ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক সামছুল ইসলাম রজিম।
এদিকে বসুন্ধরা চাইনিজ হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী মো. জাকির হোসেন মিয়াজী সংবাদকর্মীদের জানান, তিনি উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।
১৫ মার্চ, ২০২২।
