মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্
করোনা ভাইরাসের এই মহামারিকালীন সময়ে হাজীগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারের নগদ অর্থ ও সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনির আওতায় সরকার কর্তৃক প্রদত্ত বিভিন্ন ভাতার টাকা সুবিধাভোগীদের ঘরে ঘরে পৌছে দিচ্ছেন, পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আ.স.ম মাহবুব-উল আলম লিপন। একই সাথে তিনি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় সড়ক ও রাস্তায় জীবানুনাশ ছিটিয়ে এবং মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
পাশাপাশি তিনি ব্যক্তিগত ও পারিবারিকভাবে অসহায়-দুস্থদের আর্থিক সহযোগিতা ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ এবং জনসচেতনতায় পৌরসভার পক্ষ থেকে বিনামূল্যে মাস্ক ও লিপলেট বিতরণ করছেন। ধারাবাহিকভাবে প্রতিদিনই তিনি এসব কার্যক্রম করে থাকেন। এছাড়াও আ.স.ম মাহবুব-উল আলম লিপন ক্ষুদে শিশু-কিশোরদের মাঝে চকলেট বিতরণ করে থাকেন। এমন ব্যতিক্রমী কাজে প্রতিনিয়ত তিনি জনসাধারণের প্রশংসা কুড়াচ্ছেন।
সোমবার (৫ জুলাই) সকাল ৯টায় পৌর মেয়র আ.স.ম মাহবুব-উল আলম লিপন পৌরসভাধীন ৪নং ওয়ার্ড ও ৬নং ওয়ার্ড মকিমাবাদ এলাকা এবং ১১টায় ৭নং ওয়ার্ড বদরপুর এলাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে জনপ্রতি নগদ ৫০০ টাকা করে বিতরণ করেন। এর আগে সকাল ১০টায় পৌরসভাধীন ১১নং ওয়ার্ড রান্ধুনীমূড়া ও মনিনাগ এলাকায় প্রতিবন্ধীসহ বিভিন্ন ভাতার নগদ টাকা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
এ সময় তিনি উপস্থিত জনসাধারণের মাঝে বিনামূলে মাস্ক বিতরণ ও শিশু-কিশোরদের মাঝে চকলেট বিতরণ করেন। এরপর দুপুর ১২টায় তিনি হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন ৫নং ওয়ার্ড মকিমাবাদ এলাকায় ও হাজীগঞ্জ বাজারের বিভিন্ন অলি-গলি ও কুমিল্লা-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে জীবাণুনাশক এবং মশন নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ সময় তিনি হ্যান্ড মাইকের মাধ্যমে বাজারের ব্যবসায়ীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহবান জানান।
পৌরসভাধীন ৪, ৫, ৭ ও ১১নং ওয়ার্ডের কার্যক্রমে হাজীগঞ্জ পৌরসভার প্যানেল মেয়র-১ ও কাউন্সিলর মোহাম্মদ জাহিদুল আযহার আলম, কাউন্সিলর সুমন তপাদার, কাজী মনির হোসেন ও বিল্লাল হোসেন, উপ-সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. মাহবুবর রশিদসহ পৌরসভার অন্যান্য কর্মকর্তা, জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকার প্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে পৌর মেয়র আ.স.ম মাহবুব-উল আলম লিপন বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত সর্বাত্মক লকডাউনে যেন জনসমাগম না ঘটে, সেজন্য সুবিধাভোগিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের নগদ টাকা বিতরণ করছি। এছাড়াও ওয়ার্ড ভিত্তিক নির্দিষ্ট স্থানে ভাতার টাকা পৌছে দেয়া হচ্ছে, যারা বিভিন্ন সমস্যার কারণে আসতে পারছে না, তাদের টাকা বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছি।
তিনি বলেন, করোনাকালীন এ সময়ে যারা ক্ষতিগ্রস্ত, তাদের বাড়িতে সরকারিভাবে এবং ব্যক্তিগত ও পারিবারিকভাবে এবং পৌরসভার উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছি। এরপরও কেউ সমস্যায় পড়লে তিনি তার সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানান।
০৬ জুলাই, ২০২১।
