হাজীগঞ্জে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

মাঝারি ও ছোট পশুর চাহিদা বেশি

মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্
আগামিকাল সোমবার পালিত হবে মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদ-উল আজহা। আর ঈদকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে হাজীগঞ্জের কোরবানির পশুর হাটগুলো। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত রোদ-বৃষ্টির মধ্যেই পশু বেচাকেনা চলছে। হাটে প্রচুর গরুর আমদানির সাথে রয়েছেন অসংখ্য ক্রেতা। এর মধ্যে যারা পশু ক্রয় করছেন, তাদের মধ্যে মাঝারি ও ছোট গরু ক্রয়ের ক্রেতাই বেশি। আবার বড় গরুর ক্রেতাও কম যায়নি, তবে বড় গরুর চাহিদা কম থাকায় দামেও তুলনামূলক কিছুটা কম পাওয়া গেছে।
হাট-বাজারগুলো ঘুরে দেখা গেছে, পশুর হাটে প্রচুর গরু ও ছাগলের আমদানি হয়েছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তেমন বিকি-কিনি না হলেও শুক্রবার থেকে জমে উঠেছে পশুর হাটগুলো। শুক্রবার ও শনিবার হাট-বাজারগুলোতে যেসব গরু-ছাগল আমদানি হয়েছে। হাটে ছিল মানুষ আর পশু একাকার। ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও আর্থিকভাবে স্বচ্ছল ব্যক্তিরা কোরবানির জন্য শেষ মুহূর্তে পছন্দের গরু-ছাগল ক্রয় করতে হাট-বাজারগুলোতে ভিড় করছেন। এর মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ পশু বিক্রি হয়েছে। আর বিক্রি হওয়া পশুর মধ্যে বেশিরভাগ ছিলো মাঝারি সাইজের।
এদিকে জেলার বাইরে ও বিভিন্ন উপজেলা হতে পাইকারেরা হাট-বাজারে ভিড় করলেও গো-খাদ্যের দাম আগের বছরগুলোর তুলনায় কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় চাহিদা অনুযায়ী গরুর দাম বেশি পড়ায় লোকসানের কথা জানিয়েছেন পাইকাররা। তবে বিক্রেতাদের অভিযোগ- খড়, ভূষিসহ বিভিন্ন গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। সারা বছর একটি গরু পালন করতে যে ব্যয় হয় সে তুলনায় গরুর দাম পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান ব্যক্তি পর্যায়ের বিক্রেতা ও খামারীরা। তাদের অভিযোগ, গো-খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় গরু পালনে খরচ অনেক বেড়েছে।
এর আগে ঈদকে সামনে রেখে চাঁদপুর পশু ঘাটতির কথা শুনা গেলেও বাস্তবে তা দেখা যায়নি। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছিলো, আর ততই উপজেলাসহ খামারি, পালিত, নিয়মিত ও সিজনাল পাইকাররা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কোরবানির পশু নিয়ে হাটে আসতে শুরু করেন। এতে দেখা গেছে, পশুর ঘাটতি থাকা-তো দূরের কথা, বরং উদ্বৃত্ত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ঠিক তেমনটি আগের বছরগুলোতে দেখা গেছে। জেলার বাইরে থেকে প্রচুর কোরবানির পশু আসে। এর ব্যতিক্রম এ বছরও হয়নি।

১৬ জুন, ২০২৪।