হাজীগঞ্জে ২ কিলোমিটারের কাঁচা সড়কে ৪ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্
দুই কিলোমিটারের মাটির রাস্তাটি একেবারে কাঁচা। রাস্তার কিছু কিছু স্থান দিয়ে গাড়ি তো চলাচলের দূরে কথা, পায়ে হেঁটে পার হওয়াই মুশকিল। তারপরও প্রয়োজনের তাগিদে ওই রাস্তা দিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে স্কুল, মাদরাসা, কলেজের ছাত্র-ছাত্রী ও রোগীসহ গ্রামীবাসীর। আর এতে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে তাদের।
এলাকাবাসী জানায়, রাস্তাটি বর্ষা মৌসুমে একেবারেই চলাচলের অযোগ্য হয়ে যায়। রাস্তার বিভিন্ন স্থানে পানি জমে এবং গাছের ট্যাপ ট্যাপ পানি পড়ে এবং রাস্তা দিয়ে সিএনজিচালিত স্কুটার ও অটোরিক্সা চলাচল করায় হেঁটে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। বর্তমানে এই রাস্তায় স্থানভেদে আধাফুট পর্যন্ত কাদার গভীরতা আছে।
বলছি, হাজীগঞ্জ উপজেলার কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের রামপুর বাজার থেকে সাকছিপাড়া জনতা বাজার সড়কের কথা। সড়কের এই অংশে রামপুর কামার বাড়ি সংলগ্ন নূরাণী মাদ্রাসা হয়ে সৈয়দপুর পর্যন্ত হয়ে মাটির রাস্তার দৈর্ঘ্য মাত্র ২ কিলোমিটার। এই সড়ক সৈয়দপুর হয়ে স্থানীয় ভাজনাখাল, ভাজনাখাল চাঁদপুর ও ভাটরা গ্রাম।
এই সড়কটি দিয়ে ৪ গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষের চলাচল করে। বছরের অন্য সময়ে চলাচলে যাই হোক না কেন, বর্ষা মৌসুমে এসব জনসাধারণকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিশেষ করে চরম ভোগান্তীর শিকার হতে হয় স্কুল, মাদরাসা, কলেজের ছাত্র-ছাত্রী ও অসুস্থ রোগীসহ গর্ভবতী নারীদের।
স্থানীয় ও হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল কলেজের প্রভাষক আলী আকবর প্রধানীয়া বলেন, এ সড়ক দিয়ে আমাদের চলাচল করতে হয়। কিন্তু অতিরিক্ত কাদা হওয়ার কারণে গাড়ির অভাবে প্রয়োজনীয় মালামাল ও রোগীদের বহন করা যায় না। তাই বাধ্য হয়ে আমাদের পায়ে হেঁটে চলতে হয়। যা অত্যন্ত কষ্টকর।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন জানান, আমার ইউনিয়নে রামপুর বাজার থেকে ফকিরবাড়ি, বাবুরপুল থেকে সিদলা কৈয়ারপুল সড়কসহ ৩টি কাঁচা রাস্তার কারণে বর্ষায় জনগণকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়। এর মধ্যে কামার বাড়ি সংলগ্ন মাদ্রাসার অংশ থেকে সৈয়দপুর পর্যন্ত সড়কের অবস্থা খুবই খারাপ।
এসময় তিনি বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার অফিসে রয়েছে। তাই সড়কগুলো অগ্রাধিকারভিত্তিতে দ্রুত পাকাকরণে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

২৩ জুন, ২০২২।