মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্
পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আ.স.ম মাহবুব-উল-আলম লিপনের সার্বক্ষনিক তদারকিতে ও পৌরবাসীর সহযোগিতায় মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই এ বছর কোরবানি পশুর বর্জ্য অপসারণের মতো একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ সাফল্যের সাথে সমাপ্ত করেছে হাজীগঞ্জ পৌরসভা। সোমবার সকাল ৯ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টার মধ্যে পৌরসভার নির্ধারিত ৪৩টি পশু জবেহ করার স্থান থেকে এ বর্জ্য অপসারণ করা হয়।
এছাড়া যারা ব্যক্তিগতভাবে এবং বিচ্ছিন্ন স্থানে (বাসা-বাড়ির সামনে) পশু কোরবানী করেছেন সেসব স্থান থেকেও বর্জ্য অপসারণ করে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। একই কাজ গত বছর ১৫ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন করা হয়। অথচ গত বছরের তুলনায় এ বছর প্রায় শতাধিক পশু বেশি কোরবানী করা হয়।
পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, এ বছর পৌরসভার নির্ধারিত ৪৩টি স্থানে ১ হাজার ১শ’ ৪২টি পশু কোরবানী করা হয়। মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই এসব কোরবানীর পশুর বর্জ্য অপসারণ করা হয়। এ বর্জ্য অপসারণে পৌরসভার দু’টি টিমে পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ৩০ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী দায়িত্ব পালন করেন।
এদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পৌরসভার নির্ধারিত ৪৩টি পশু জবেহ স্থান পরিদর্শন করেন পৌর মেয়র আ.স.ম মাহবুব-উল-আলম লিপন। তিনি সর্বস্তরের জনসাধারণের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় এবং কোরবানি পশুর বর্জ্য অপসারণে তদারকি ও পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন। এ সময় তিনি শিশুদের মাঝে চকলেট বিতরণ করেন।
এ বিষয়ে পৌর মেয়র আ.স.ম মাহবুব-উল-আলম লিপন পৌরবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবছর নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানিতে জনগণের সাড়া ছিলো উৎসাহব্যঞ্জক। নির্ধারিত স্থানে পশু জবাইয়ের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়াও বিচ্ছিন্ন স্থানে যারা কোরবানি দিয়েছেন, তারাও সচেতন ছিলেন। সহযোগিতা থাকলে যে কোন কঠিন কাজও সহজভাবে সম্পন্ন করা যায় বলে তিনি জানান।
১৫ আগস্ট, ২০১৯।