
স্টাফ রিপোর্টার
যক্ষ্মা রোগী সনাক্তকরণ ও যক্ষ্মা রোগ প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে সুশিল সমাজের করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় শহরের বিপণীবাগ পার্টি হাউজে অনুষ্ঠিত হয়। নাটাব চাঁদপুর জেলা সভাপতি সাংবাদিক আহসানুজ্জামান মন্টুর সভাপতিত্বে ঐ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর বক্ষব্যাধি হাসপাতালের সিনিয়র চিকিৎসক ডা. সোহেল আহমেদ, ডা. শফি উল্লাহ, ব্র্যাক প্রতিনিধি মো. মিজানুর রহমান প্রমুখ। এ সময় বক্তারা বলেন, যক্ষ্মা হলো একটি সংক্রামক রোগ। দুই সপ্তাহের বেশি কাশি, বুকে ব্যাথা, খাবারে অরুচি দেখা দিলে কপ পরীক্ষা করতে হবে। এই পরীক্ষা করতে হলে তেমন অর্থ লাগে না। যক্ষ্মা দুই ধরনের- ফুসফুসের ভিতর ও বাহিরে হতে পারে। যক্ষ্মা রোগীর কাশি ও হাচি থেকে জীবানু ছড়ায়। যারা অপুষ্টিতে ভোগে, গার্মেন্সে কাজ করে তাদের বেশি যক্ষ্মা হয়ে থাকে। যক্ষ্মার জীবাণু আগুনে আর রোদে পুড়ে মরে। ৬ মাস কোর্সের ঔষুধ ও চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকলে এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
মতবিনিময় সভায় মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, শিক্ষক, নৃত্যশিল্পী, নাট্যশিল্পীসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
