সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল কাদের জিলানীর দাফন সম্পন্ন

স্টাফ রিপোর্টার
দল-মত নির্বিশেষে অসংখ্য মানুষের ভালোবাসায় চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য, চাঁদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ ওচমান গনি পাটওয়ারীর ভাগিনা চৌধুরী আব্দুল কাদের জিলানী। তিনি গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি……রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৩৩ বছর। তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে রয়েছে, বৃদ্ধ মা, সদস্য বিবাহিতা স্ত্রী, ৯ মাসের কন্যা সন্তান এবং এক ভাই ও এক বোন। তার বাবা মরহুম আব্দুল রাজ্জাক চৌধুরী ছিলেন চাঁদপুর বারের বিশিষ্ট আইনজীবী এবং জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা। তার এমন আকস্মিক মৃত্যুতে চাঁদপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সব মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে। তারা চৌধুরী আব্দুর কাদের জিলানীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
গত শুক্রবার বাদ জুমা চাঁদপুর শহরের দক্ষিণ গুণরাজদী সাতআনি পাটওয়ারী বাড়িতে (মরহুমের নানার বাড়ি) চৌধুরী আব্দুল কাদের জিলানীর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় দলমত নির্বিশেষে অসংখ্য মুসল্লি অংশ নেন। অনেকেই অশ্রুসিক্ত হন। সবাই তার মাগফিরাতের জন্য দোয়া করেন। জানাজায় ইমামতি করেন সাতআনী পাটওয়ারী বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাও. অলিউর রহমান।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ নাছির উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম পাটোয়ারী দুলাল, পৌর মেয়র অ্যাড. জিল্লুর রহমান জুয়েল, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সলিম উল্লাহ সেলিম, ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাড. জাহিদুল ইসলাম রোমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাফাজ্জল হোসেন এসডু পাটওয়ারী, অ্যাড. মজিবুর রহমান ভূঁইয়া, চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বেপারী, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান টুটুলসহ অসংখ্য নেতৃবৃন্দ, মরহুম জিলানীর স্বজন এবং সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।
এদিকে জিলানীর মৃত্যুর খবর বৃহস্পতিবার রাতেই সোস্যাল মিডিয়ায় প্রচার হয়ে যায়। মুহূর্তে সদর হাসপাতালে শত শত মানুষ চলে আসে। হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ নানার বাড়ি সাতআনি পাটওয়ারী বাড়িতে নিয়ে গেলে রাতেই সেখানে শত শত নেতা-কর্মী ভিড় করে। শুক্রবার সকাল থেকেই সাতআনী পাটওয়ারী বাড়িতে মানুষ আসতে থাকে জিলানীর মৃত্যুর খবর শুনে। তার দীর্ঘ সময়ের রাজনৈতিক সহকর্মী ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান অসংখ্য নেতা-কর্মী জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে চলে আসে তার জানাজায় শরীক হতে এবং তাকে শেষবারের মতো এক নজর দেখতে। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়।

২১ আগস্ট, ২০২২।